সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৬ আগস্ট: কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক বার সহবাসের পর বিয়ে করতে অস্বীকার যুবকের। এমনই অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার বাবুপাড়ার বাসিন্দা এক যুবকের বিরুদ্ধে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বনগাঁ আদালতে শুক্রবার ওই যুবতীকে বিয়ে করলেন ওই যুবক।
শেষ পর্যন্ত বনগাঁ আদালতেই মালা বদল ও সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করল অভিযুক্ত কৃষ্ণেন্দু সাহা। যুবতীর সঙ্গে ১২ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয় কৃষ্ণেন্দুর। ৬ মাস আগে প্রেমিকা বিয়ের প্রস্তাব দিলে, বিয়ে করতে অস্বীকার করে ওই কৃষ্ণেন্দু। এমন কী প্রেমিকার বাড়ি থেকেও বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ওই যুবকের বাড়িতে যায় পরিবারের পক্ষ থেকে। শুরু হয় দুই পরিবারের বাকবিতণ্ডা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনগাঁ থানার পুলিশ। প্রেমিকের বিরুদ্ধে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও প্রতারণার করায়, বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে প্রেমিকা।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত যুবক কৃষ্ণেন্দু সাহাকে। বনগাঁ এডিজে কোর্টের বিচারক শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে বিচার শুরু হয়। বিচারকের কাছে মেয়েকে বিয়ে করবেন বলে আবেদন জমা দেয় অভিযুক্ত যুবক। বিচারক নির্দেশ দেয় বিয়ে করলে মিলবে জামিন। সেই কারণে মহকুমা আদালতের মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয় প্রেমিক ও প্রেমিকার। আদালত চত্বরে সিঁদুর পরিয়ে, মালা বদল করে বিয়ে হয় তাদের।
বিয়ের পর ওই যুবতী জানায় অনেক দিনের সম্পর্ক থাকার পর বিয়ে করতে অস্বীকার করায় আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সুবিচার পেয়েছি। আদালতের নির্দেশে বিয়েতে রাজি হল কৃষ্ণেন্দু। আমি খুব খুশি। যুবকের পরিবারের দাবি, ছেলে রাজি হয়েছে, বিয়ে করতে আমাদের কোনও অপত্তি নেই। আমাদের বাড়িতে আর বৌদের মতো সন্মানের সঙ্গেই সে থাকবে।

