জে মাহাতো, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর,
৬ ফেব্রুয়ারি: বিয়ের সাত মাসের মধ্যেই বেলদা থানার বাসুটিয়া গ্রামে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জামাই, শাশুড়ি ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন।
মৃত গৃহবধূর নাম জবা দাস(১৯)। বেলদা থানার বাসুটিয়া গ্রামের কেদার প্রধানের সঙ্গে মাস সাতেক আগে পার্শ্ববর্তী পঁচাশবেটিয়া গ্রামের অশোক দাসের মেয়ে জবার বিয়ে হয়। মেয়ের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, পণের দাবিতে মেয়ের ওপর বার বার চাপ দিতেন স্বামী ও শ্বশুর- শাশুড়ি। বিয়ের পর থেকেই পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকত। শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের সঙ্গে একাধিকবার মীমাংসা করে মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন।শনিবার সকালে বাপেরবাড়ির লোকেদের সাথে কথাও বলেন জবা। তার পরেই জবার শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকজন তাঁর বাপের বাড়িতে খবর দেয় জবা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে।

যদিও আত্মঘাতী হওয়ার বিষয়টি মোটেই স্বাভাবিক বলে মানতে চায়নি জবার বাপেরবাড়ির লোকজন। এর পরেই বেলদা থানায় জবার শ্বশুর, স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি তুলেছে মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন। বেলদা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

