সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১ জুন: ঘরের মধ্যে থেকে বাবা, মা ও সাত বছরের ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করল হাবড়া থানার পুলিশ। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা।
একই পরিবারে তিন জনের মৃত্যু ঘিরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোপাল কবিরাজ মোড় এলাকায়।বাবা প্রকাশ বিশ্বাস (৪৫), মা শম্পা বিশ্বাস (৩২) ও ছেলে রিন্টু বিশ্বাস (৭)।
স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রকাশ বিশ্বাস এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন।সঙ্গে শ্বাস কষ্টও ছিল তাঁর। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান প্রকাশ বিশ্বাস
মৃত অবস্থায় পড়ে আছে
ঘরের বিছানায়। সেই ঘরেই স্ত্রী শম্পা বিশ্বাস গলায় ফাঁস লাগিয়ে ফ্যানের সঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন ও সাত বছরের ছেলে রিন্টু বিশ্বাস মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে
বাবার পাশেই।স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি
হাবড়া থানায় ফোন করলে পুলিশ এসে তিনজনের
মৃতদেহ উদ্ধার করে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান স্বামী করোনায়
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়ার পর ছেলেকে মেরে তাঁর স্ত্রী নিজে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রকাশ বিশ্বাসের বাবা ফটিক বিশ্বাস জানান, কয়েক
বছর আগে ছেলে বিয়ে করে এসে বাড়িতে থাকতে শুরু করে। তারপর আমাদের সঙ্গে
বনিবনা না হওয়ায় আমরা অন্য জায়গায় ভাড়া থাকি।প্রাকাশ রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাতো।গত এক সপ্তাহ ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঘরেই ছিল। সকালে প্রতিবেশীরা খোঁজখবর নিতে গিয়ে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে হাবড়া থানায় খবর দেয়।পুলিশ এসে দেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বারাসত হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
তবে কি কারণে এই তিনজনের মৃত্যু তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় পুলিশ থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।

