ঝাড়গ্রামের জিতুশোলে অজানা জ্বরে আক্রান্ত ১০০ টি পরিবার, মৃত দুই, এলাকায় আতঙ্ক

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২৩ মে: ঝাড়গ্রামের জিতুশোল গ্রামের প্রায় প্রতি বাড়িতে অজানা জ্বরে মৃত্যুও ঘটছে। লকডাউন উপেক্ষা করে ভিন রাজ্যের শ্রমিকের অানাগোনা, তাই বাড়ছে সংক্রমণ।

ঝাড়গ্রামের জিতুশোল গ্রামে প্রায় ১০০পরিবারের প্রতিটা বাড়িতে জ্বর, সর্দি, কাশি। হাসপাতাল মুখী হননি
কেউই। স্থানীয় ওষুধের দোকান ও হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ঘরেই থাকছেন। ইতিমধ্যেই ২ জনের মৃত্যুও হয়েছে। ব্যাপক অাতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামে। অজানা জ্বর এর কারণ কি? করোনা নয় তো উঠেছে প্রশ্ন। এলাবাসীর অভিযোগ, স্বাস্থ্য দপ্তর বিষয়টি জানলেও খবরই নেননি সেখানকার বিএমওএইচ বা কোনও স্বাস্থ্য কর্মী।

স্থানীয় মানুষের বক্তব্য, পাশেই স্পঞ্জ অায়রণ কারখানার জন্য দূষণ মাত্রাতিরিক্ত। তাতে চর্মরোগ, সিলিকোসিসের মত রোগ জ্বালাতো। কিন্তু যবে থেকে করোনার প্রকপ বেড়েছে তবে থেকে শুরু হয়েছে অজানা জ্বর। তাদের আরও অভিযোগ, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, বিহারের লেবারদের নিয়ে লকডাউনে সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করে চলছে কারখানার কাজ। সাথে ভিনরাজ্যের লেবারদের অানাগোনা। এতেই অারও রোগ ছড়াচ্ছে বলে ধারণা গ্রামবাসীদের। এতদিন ধরে জ্বরের খবর জানার পরও মোহনপুর বিএমওএইচের তরফ থেকে কোনও টিম পাঠানো হয়নি। হয়নি কোনও পরীক্ষার ব্যাবস্থা। তাদের বক্তব্য যে সমস্ত মানুষ নিজেরা পরীক্ষা করিয়েছেন তার অধিকাংশই করোনা অাক্রান্ত। ফলে অজানা জ্বর করোন হতে পারে এই অাতঙ্কে গোটা গ্রাম।

ঝাড়গ্রাম জেলা থেকে মাত্র আট কিমি দূরে এই গ্রাম হওয়া সত্ত্বেও জেলা স্বাস্থ্যআধিকারীক নির্বিকার।
একদিকে কারখানার বহিরাগত লেবার অন্যদিকে বেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থায় অাতঙ্কের প্রহর গুনছে গোটা গ্রাম। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *