সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৯ মে: বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে যখন একের পর এক প্রশ্ন উঠছে, এই রাজ্যের সরকার খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তুলে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই রাজ্যে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে এসে বিএসএফের প্রশংসা করে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দাবি করে গেলেন, বিএসএফের জন্যই দেশজুড়ে সুরক্ষার বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে।

বস্তুত, বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত নতুন নয়। কেন্দ্র সরকার, বিএসএফের কাজের পরিধি সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার পর থেকেই এই ইস্যুতে সংঘাত শুরু হয়। এরাজ্যের শাসক দল একাধিকবার সাধারণ নাগরিকদের উপর বিএসএফের ‘অত্যাচার’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকী রাজ্যে বিএসএফের ক্ষমতা খর্ব করার দাবিও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তখনই পেট্রাপোলের মৈত্রী গেটের ভূমি পুজো অনুষ্ঠানে এসে সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে গেলেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ভারতের জমি সুরক্ষা করতে বিএসএফ কোনও কসুর রাখে না।
তিনি বলেন, ”বিএসএফ বরফের পাহাড় থেকে থর মরুভূমি, ভূমি সীমা থেকে নদী সীমান্ত, দেশের সুরক্ষায় কোনও ত্রুটি করে না। বিএসএফ ছাড়া ভারতের ভূমিসীমার সুরক্ষা সম্ভব হত না। বিএসএফের জন্যই দেশে আজ সুরক্ষার বাতাবরণ। প্রত্যেক নাগরিক নিজেকে সুরক্ষিত বোধ করছেন। বস্তুত শাহ এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন, রাজ্য সরকার বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে যতই অভিযোগ করুক, সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর উপর সম্পূর্ণ আস্থা আছে কেন্দ্র সরকারের।

