“আন্তরিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট”- এর উদ্যোগে জঙ্গলমহলের শতাধিক আদিবাসী শিশুর মুখে পুজোয় হাসি ফুটে উঠলো

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৪ অক্টোবর: “মহালয়া” র পুন্য তিথি শুভ না শুভ নয়, এই বিতর্কে বাঙালি যখন দ্বিধায়, সেই দিনটি সত্যিকারের শুভ আর পুন্যতিথি হয়ে উঠলো জঙ্গলমহল শালবনীর প্রায় দেড়শত শিশু, কিশোর ও কিশোরীদের। বিগত কয়েক বছরে মেদিনীপুর শহরের “আন্তরিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট” সমাজের পিছিয়ে পড়া এলাকার শিশু ও কিশোরদের জন্য শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, নতুন পোষাক বিতরণের মধ্য দিয়ে সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার শালবনী ব্লকের চারটি আদিবাসী গ্রাম ভূগলুশোল রাধামোহনপুর জামবনী ও ট্যাংরাশোলের প্রায় দেড়শত শিশু ও কিশোর কিশোরীদের নতুন বস্ত্র বিতরণ করলো মহালয়ার সকালে।

রাধামোহনপুরে সমস্ত অতিথিদের আদিবাসী প্রথায় পা ধুইয়ে বরণ করার পাশাপাশি অলচিকি নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তি করে শিশুরা। রাধামোহনপুরের অনুষ্ঠানে এলাকার শিক্ষক তন্ময় সিংহ এই আয়োজনের জন্য সংস্থাকে ও সংস্থার অন্যতম প্রাণপুরুষ ও শিক্ষক কবি কৃষ্ণেন্দু ঘোষকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে শালবনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নেপাল সিংহ ও আন্তরিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট- এর কর্ণধার সুমিতা সিংহ, অন্যতম ট্রাস্টি দম্পতি কলেজ অধ্যক্ষ প্রশান্ত রায় ও মৈত্রেয়ী রায় এবং শকুন্তলা সান্যাল অধিকারী এই শিশুদের আতিথেয়তা ও আদিবাসী রীতির সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যতম ক্রীড়া সংগঠক সন্দীপ সিংহ, বিশিষ্ট শিক্ষক কৌশিক দোলই, লক্ষীনারায়ণ হেমব্রম, অমর চৌধুরী, নির্মল মান্ডি, অসীম দোলই, রূপশ্রী হেমব্রম ও অন্যান্য অতিথিরা এবং এলাকাবাসীরা। দুটি জায়গা থেকে সমস্ত উপস্থিত শিশু ও কিশোর কিশোরীদের নতুন বস্ত্রের পাশাপাশি টিফিন দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *