জয় লাহা, দুর্গাপুর, ২৫ সেপ্টম্বর: পুজোয় অপ্রতিকর ঘটনা ও অশান্তি রুখতে সক্রিয় আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেট পুলিশ। দিন রাত চলছে রুটিন তল্লাশি অভিযান। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে অন্ডাল থানার পৃথক দুটি জায়গায় আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধরা পড়ল দুই দুষ্কৃতী। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ন’টা নাগাদ অন্ডাল থানার ছোড়া ৭/৯ পিট এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। তল্লাশিতে রাজেশ তুড়ি ওরফে বিশাল নামে এক দুষ্কৃতী ধরা পড়ে। তার বাড়ি রানীগঞ্জের জেকেনগর বেলিয়াবাথান এলাকায়। সম্প্রতি ছোড়া এলাকায় ডেরা বেঁধেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ তার কাছ থেকে একটি দেশি পাইপগান ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে। অপর দিকে এদিন গভীর রাতে অন্ডাল এয়ারপোর্ট এলাকায় পুলিশ টহলদারির সময় কালি বাদ্যকর নামে এক দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধরা পড়ে। ফাঁকা রাস্তায় তাকে ঘুরতে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তল্লাশি চালাতেই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। তার বাড়ি খান্দরা ক্যাম্প পাড়ায়। তার কাছ থেকে পুলিশ একটি দেশি পাইপগান ও দু’রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে।
উল্লেখ্য, গত এক মাসে উখড়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা থেকে শনিবার কালী বাউরি সহ পুলিশ মোট চারজন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে। গত ২৩ আগস্ট উখড়া আনন্দমোড় সংলগ্ন শ্মশান এলাকা থেকে তপন বাউরি ও হরিসাধন ঘোষ নামে দুজন ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি সেভেন এমএম পিস্তল, ৩ রাউন্ড কার্তুজ ও দুটি ম্যাগাজিন। গত ২৬ আগস্ট উখড়ার বাউড়িপাড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় সুভাষ ধীবর নামে আরও একজন। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি সেভেন এমএম পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড কার্তুজ। তারপর এদিনের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে খনি অঞ্চলে।
রবিবার ধৃত দু’জনকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের জামিন খারিজ করে দেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

