করোনার ট্রিপল মিউটেশন ভারতের কাছে নয়া চ্যালেঞ্জ, বাংলা হতে পারে এর হটস্পট

আমাদের ভারত, ২১ এপ্রিল: করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে নাস্তানাবুদ দেশ। এরই মধ্যে ভাইরাসের তৃতীয় মিউটেন্টের খোঁজ মিলল ভারতে। চিকিৎসকদের দাবি এই তৃতীয় মিউটেন্টের কারণেই সংক্রমণ আরও দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে।

ভাইরাসের মিউট্যান্ট পরিবর্তিত হলে তা আরো দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দেশের চিকিৎসকদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ এই নতুন মিউটেন্টের করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করা। সবথেকে বড় অশনি সংকেত যেসব রাজ্যে ট্রিপল মিউটেন্টের খোঁজ মিলেছে তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে।

গত অক্টোবরে দ্বিতীয় মিউটেশনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। সেটা নিয়েই রীতিমতো আতঙ্কে ছিলেন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা। এবার তৃতীয় মিউটেন্টের সন্ধান পাওয়ায় তারা আবারও আশঙ্কিত।

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা ভাইরিসের এই তৃতীয় রূপান্তরকে পুরোপুরি বুঝতে জিনোম সিকোয়েন্সের উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ট্রিপল মিউটেন্টের অর্থ হলো করোনার তিনটি স্ট্রেইনের একসঙ্গে উপস্থিতি। নয়া ভেরিয়েন্টের ফলে ফের বদলাবে করোনার উপসর্গ। যে উপসর্গ এখন সংক্রমনের ফলে হচ্ছে তার আবার পরিবর্তন ঘটবে বা এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে একাধিক নতুন উপসর্গ। এতদিন দুটি স্ট্রেন একসঙ্গে হয়ে সংক্রমিত হচ্ছিল। এবার তৃতীয় ভেরিয়েন্টের হদিশ পাওয়া মানে সংক্রমনের দ্রুত তা আরো বাড়বে।

চিকিৎসকদের দাবি ভাইরাস যত বেশি মানুষকে সংক্রমিত করবে,তার মিউটেশন তত বাড়বে। এক্ষেত্রে সেটাই হচ্ছে। ফলে আগামী দিনে এই তৃতীয় মিউটেশন ভারতের জন্য পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।

মহারাষ্ট্র, দিল্লি, ছত্রিশগড় এবং বাংলায় যে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তার পেছনে এই তৃতীয় মিউটেশন দায়ী বলেই মত চিকিৎসকদের। এমনকি নয়া ভেরিয়েন্টের জন্যই সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। পশ্চিমবঙ্গ এজাতীয় মিউটেশনের হটস্পট হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা চিকিৎসকদের একাংশের।
এই মিউটেন্ট মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এর জন্য প্রচুর নমুনা সিকোয়েন্সিং এর প্রয়োজন আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *