আমাদের ভারত, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ১১ নভেম্বর:
পরিযায়ী উপাচার্য, অনুপ্রবেশ উপাচার্যরা যেন রাজ্যের সিস্টেম খারাপ করতে না পারে। এতগুলো বিএড কলেজের অনুমোদন কেন বাতিল করা হয়েছে তা শিক্ষাদপ্তর তদন্ত করে দেখবে বলে কুলতলিতে থেকে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির জামতলায় বিজেপির পাল্টা সভা করে তৃণমূল। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সভার তিন দিনের মাথায় এই পাল্টা সভা করল তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সওকাত মোল্লা ও কুলতুলির বিধায়ক গণেশ মন্ডল। কুলতলিতে এসে বিধায়ক গণেশ মন্ডলকে দুর্নীতির অভিযোগে জেলে পোরার হুমকি দিয়েছেন সুকান্ত। তারই পাল্টা এই সভা থেকে বিজেপিকে তুলোধনা করেন শওকত মোল্লা ও গণেশ মন্ডল। শওকত মোল্লা বলেন, এই জেলায় তৃণমুলের বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকতেই পারবে না বিরোধীরা। জেলার সবকটি লোকসভা আসন যাদবপুর, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ডহারবার সহ সবকটি আসনই তৃনমুল জিতবে বলে জানান। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যেই দাঁড়াক তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
সুকান্ত কুলতলিতে কুৎসা করতে এসেছিল বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। উত্তর প্রদেশ ও ত্রিপুরায় বিজেপির গুন্ডা বাহিনী তৃণমূলের উপর হামলা চালায়। আমরা চাইলে কুলতলিতে বিজেপিকে ঢুকতে দিতাম না। কিন্তু এ রাজ্যে মমতা বন্দোপাধ্যায় বিরোধীদের সন্মান দেয়। বাংলায় জিততে না পারার কারণেই আবাস যোজনা ও একশো দিনের কাজ বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র বলে জানান ব্রাত্য। সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে অন্যায়ভাবে সাসপেন্ডও করার সুপারিশ করেছে এথিক্স কমিটি। আম্বানি, আদানির বিরুদ্ধে মুখ খোলাতেই এই প্রতিহিংসা। যে চারটি রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে সেখানে সব জায়গাতেই বিজেপি হারবে। নওশাদ আর কোনোদিন বিধায়ক হিসেবে জিতবে না। পিপিলীকার পাখা উড়ে মরিবার তরে বলেই নওশাদ ডায়মন্ডে দাঁড়াতে চাইছে। ওর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

