আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ২৪ ফেব্রুয়ারি: “২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় থেকে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মানুষ তৃণমূলকে আর কোনও সিট দেবে না বলে স্থির করে নিয়েছে। এই অঞ্চল থেকে তৃণমূলকে জিততে দেবে না। পুলিশ বা গুন্ডা বাহিনী দিয়ে যত অত্যাচার করুক, ব্যারাকপুরের মানুষ আর তৃণমূলের সঙ্গে নেই।” ব্যারাকপুরের উপর দিয়ে পরিবর্তনের রথ যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে প্রকাশ্য সভায় দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
মঙ্গলবার রাতে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে বিজেপির রথ। বুধবার সকাল বেলা নোয়াপাড়া বিধানসভার উপর দিয়ে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে প্রবেশ করে বিজেপির এই রথ যাত্রা। রথ যাত্রায় রথে উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য্য সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। রথ ব্যারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে জগদ্দল, নৈহাটি, ভাটপাড়া বিধানসভা অতিক্রম করে বীজপুরে প্রবেশ করে। এদিন ব্যারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের কয়ড়াপুর খালে জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে অভিনব কর্মসূচি পালন করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক সম্বলিত পুতুলকে বিজেপির পক্ষ থেকে কয়ড়াপুর খালে বিসর্জন দিয়ে সেই খাল থেকে প্রতীকী পদ্ম ফোটান বিজেপি কর্মীরা।

আজ ব্যারাকপুর–কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের জগদ্দলের বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির রথ প্রবেশ করে। সেখানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। নিজের বক্তব্যে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “আমি দার্জিলিঙের মানুষের উৎসাহ দেখেছি, ওখানকার মানুষ বিজেপির সঙ্গেই আছে। এই শিল্পাঞ্চলের মানুষও মনস্থির করে নিয়েছে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত যে ৭টি বিধানসভা আসন রয়েছে, তার একটিও এবার তৃণমূল কংগ্রেস পাবে না। সবাই ভাবে দার্জিলিং মানে বিমল গুরুং, কিন্তু না আমি ওখানে আন্ডার কারেন্ট দেখেছি, সেখানে বিজেপির প্রতি মানুষের যে আবেগ দেখেছি, এখানেও তাই দেখছি। পরিবর্তনের রথ যাত্রা এভাবেই এগিয়ে যাবে। বাংলায় তৃণমূলের অপশাসন মুক্ত বিজেপির সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।”


