আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ২৮ অক্টোবর: গোয়ায় তৃণমূল কিছুই করতে পারবে না বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ভোটের দিন পর্যন্ত বসে থাকলেও একটাও আসন পাবে না। তৃণমূল কংগ্রেসকে কুয়োর ব্যাঙ বলে কটাক্ষ করে বলেন, সমুদ্র দেখেনি, তাই সমুদ্র দেখে লাফালাফি করছে।মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া সফরের আগে কার্যত তাঁর এই সফরকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। একই সাথে তিনি বলেন, যারা এই মুহূর্তে বিজেপি ছেড়ে যাচ্ছে, তারা নিজেদের কার্যসিদ্ধি করতে যাচ্ছে।
দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার সেরে বৃহস্পতিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি হয়ে শিলিগুড়িতে আসেন। এদিন শিলিগুড়ি মাল্লাগুড়ি টি অকশন রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূল কুয়োর ব্যাঙ। সমুদ্র দেখেনি, তাই সমুদ্র দেখে লাফালাফি করছে।”
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পর এবার তৃণমূলের নজর গোয়া। পাঁচ দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পাহাড় থেকে সরাসরি গোয়ার উদ্দেশ্য যাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরের আগে তাঁর সফরকে কটাক্ষ করে তৃণমূলকে কুয়োর ব্যাঙ বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া সফরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আজ থেকে ভোট পর্যন্ত থেকে একটা আসন বের করে দেখাক।
তাঁকে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর তৃণমূলে যোগদানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যারা বিজেপিতে নিজের কার্যসিদ্ধি করতে এসেছিল, তাদের হয়তো কার্য সিদ্ধি হয়নি তাই তারা চলে গেছে। আর কৃষ্ণ কল্যাণী দলে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় ছিল, তাকে কোনো দিন ধরা হয়নি।
একই সাথে এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সেনাবাহিনীর এক্তিয়ার ভারত–বাংলাদেশ সীমানা থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে, এর জন্য যারা প্রতিবাদ করছে আসলে তাদের গুলি খাওয়ার ভয়ে রয়েছে। আসলে তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজকর্ম জড়িত, তাই তৃণমূল প্রতিবাদ করছে।

এদিন তিনি শিলিগুড়ির সাংগঠনিক জেলা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতিকে সংবর্ধনা জানান দলের নেতাকর্মীরা।

