আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ১৬ ফেব্রুয়ারি: “নির্বাচনের পর ভাটপাড়াতে যে সন্ত্রাস চলেছে তার অন্যতম প্রধান সাক্ষী তথা বিজেপি প্রার্থী সুমিত্রা মণ্ডলকে প্রাণে মেরে দিতে চাইছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তাই বোমা মারা হয়েছে এই বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে। আর সরকারি অফিস থেকে বোম মারা হচ্ছে। সরকারি অফিসগুলিকে পার্টি অফিস বানিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। “ভাটপাড়া পৌরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সুমিত্রা মণ্ডলের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় ওই প্রার্থীর বাড়ি গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
প্রসঙ্গত, বুধবার ভোর রাতে শ্যামনগরের রাহুতায় ভাটপাড়ার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সুমিত্রা মন্ডলের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। এদিন বেলায় দলীয় প্রার্থীর বাড়িতে আসেন সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি বোমা মারার দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ছাদের ওপর থেকে বোমা ছোড়া হয়েছে। সাংসদের অভিযোগ, বোমা মারার ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী জগা ও রাম।

সাংসদের দাবি, ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বৃদ্ধা শোভারানী মন্ডল। সেই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। ঘটনার প্রধান সাক্ষী সুমিত্রা মন্ডল। তাই ওনাকে প্রাণনাশের চক্রান্ত করছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশ কমিশনারেট থেকে সুমিত্রা দেবীকে নিরাপত্তারক্ষী না দেওয়া হলে, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে জানালেন সাংসদ অর্জুন সিং।
অপর দিকে অর্জুন সিং’য়ের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এদিন বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, “সিবিআই আর এনআইএ এখন অর্জুনের পকেটের লোক হয়ে গেছে। এগুলো সব অর্জুনের চক্রান্ত এটা সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনা। যাতে আমাদের কিছু কর্মীদের ওপর সিবিআই কেস যে চলছে সেটা ভোটের মুখে আবার উঠে আসে আমাদের কর্মীদের আবার হেনস্তা করা যায়।”

