সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাকুঁড়া, ১৮ ফেব্রুয়ারি: পুর নির্বাচনে দলীয় টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য শীর্ষ নেতৃত্বের কড়া মনোভাবের পর বাকুঁড়া পুরসভা নির্বাচনে প্রাক্তন কাউন্সিলর লতিকা হালদার সরে দাঁড়ালেও অনড় প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ আগরওয়াল। দল যাই সিদ্ধান্ত নিক না কেন পুরভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরছেন না তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা বাকুঁড়া পুরসভার বিদায়ী বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ আগরওয়াল।
আজ সকালে বাকুঁড়া পুরসভার ২৩ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর লতিকা হালদার তৃণমূলের জেলা নেতা অরূপ চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে পুরনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরে এসে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নামার কথা জানান। লতিকা দেবী বলেন, দলীয় টিকিট না পেয়ে হতাশা ও অভিমানে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করি, পরে অভিমান দূর হতে আমি প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিই। আজ তার সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলার নেতা অরূপবাবুকে জানালাম।এবার আমি দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করবো।
অরূপবাবু বলেন, আজ সকালে লতিকাদেবী তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। আমরা তার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।
অপরদিকে লতিকাদেবী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও অনড় রইলেন দিলীপ আগরওয়াল।আজ তিনি পরিষ্কারভাবে তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, দল কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। সেই দায়বদ্ধতাকে আমি অস্বীকার করতে পারি না। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের অনুরোধেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন এবং জয়ের ব্যাপারে একশো ভাগ কেন দু’শো ভাগ নিশ্চিত।
তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব আসন্ন পৌর নির্বাচনে দলের বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদের নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরে আসার নির্দেশ জারি করছেন। অন্যথায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশের পর দিলীপ বাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তার অবস্হান স্পষ্ট করে দেন।

