অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম,২৯ সেপ্টেম্বর: ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের রোহিনী গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নতুন করে দখল নিল তৃণমূল। অনাস্থা ভোটে ৯ জন সদস্যের সমর্থন নিয়ে নতুনভাবে ক্ষমতা হাসিল করল তৃণমূল।
উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রোহিনী অঞ্চলের মোট ১৩ টি আসনে মধ্যে বিজেপির ৬ টি আসনে জয়ী হয়, তৃণমূল ৭ আসনে জয়ী হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে একজন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে চলে যাওয়ার স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূলের বদলে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি। বিজেপির ৭ পঞ্চায়েত, তৃণমূলের ৬ পঞ্চায়েত নিয়ে রোহিনী অঞ্চলে বিরোধী আসনে থাকে তৃণমূল। স্বাভাবিক ভাবেই পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান সহ বোর্ড গঠন করে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনের পরেই বিজেপি দলের মধ্যে ভাঙ্গন ধরতে শুরু করে। বিধানসভা ভোটের পরে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তৃণমূলের একটি সভা হয়। সেই সভায় রোহিনী গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির তিন সদস্য রাখাল বধুক, সবিতা শিং, শুকুনতলা শিং এরা বিধায়কের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন।
তারপর থেকে বিজেপির প্রধান, উপপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার জন্য আলোচনা করে। সর্বশেষে বুধবার সাঁকরাইলের রোহিনী’ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ৬ পঞ্চায়েত সদস্য উওম মাহাত, মামনি শিং, সুদীপ্তা কিস্কু, বেলা হাঁসদা, সুমনা বারিক, পুতুল রানা এবং বিজেপির ৩ পঞ্চায়েত সদস্য, রাখাল বধুক, সবিতা শিং, শুকুনতলা সিং বিজেপি পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে। প্রশাসনের উপস্থিতিতে, অনাস্থা ভোটে তৃণমূলের পক্ষে ৯ জন এবং বিজেপির পক্ষে কোনও পঞ্চায়েত সদস্য না থাকায় তৃণমূলের দখলে আসে রোহিনী অঞ্চল। উপস্থিত ছিলেন, গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডাক্তার খগেন্দ্রনাথ মাহাত, ব্লক সভাপতি কমলকান্ত রাউৎ, অনুপ মাহাত, ভাগবৎ মান্না, মুথুর মাহাত প্রমুখ।

