আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৪ মার্চ: সোমবার স্মারকলিপি দিতে এসে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের সাথে অভব্য আচরণ করেছে বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন এবিপিটিএ। শুধু তাই নয় ওই ঘটনায় ডিপিএসসি দপ্তরে শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে এই অভিযোগ তুলে আজ ডিপিএসসি দপ্তরে পোস্টার ব্যানার নিয়ে ধিক্কার জানালো পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
সমিতির বক্তব্য, স্মারকলিপি দিতে এসে বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন দপ্তরের আধিকারিকের সাথে যে ভাষা প্রয়োগ করে অভব্য আচর করেছে তা মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষকদের কাছ থেকে এই ধরনের আচরণ আশা করা যায় না। যদিও তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের ওই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন এবিপিটিএ জেলা সম্পাদক বিপ্লব ঝাঁ। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে তৃণমূল শাখা সংগঠনের কথা কেউ বিশ্বাস করছে না। যে কারণে এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। গতকাল দুপুরে শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়নে মোট ১৯ দফা দাবিতে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপি দিতে যায় এবিপিটি’এর সদস্যরা। স্মারকলিপি দেবার সময় তারা কথা প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের সাথে বিতর্কে জরিয়ে পড়েন এবং অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ।
এদিন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্যামল চন্দ্র রায় বলেন, যারা স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন তারা অভব্য আচরণ, টেবিলে শব্দ করা, আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেছেন। যাতে তিনি মর্মাহত বলে জানান। ওই ঘটনা নিয়ে আজ ধিক্কারে সামিল হয় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে ডিপিএসসিতে পোস্টার লাগানো হয়। সেই সাথে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান হয়েছে।
সমিতির জেলা সভাপতি স্বপন বসাক বলেন, বিভিন্ন দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু স্মারকলিপি দিতে গিয়ে যে ভাষা তারা প্রয়োগ করেছেন তা মেনে নেওয়া যায় না।

