সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৯ ফেব্রুয়ারি: দলত্যাগীদের জীবন যাত্রার উপর নজর রাখার জন্য রাজ্য সরকারকে আর্জি জানালেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দলত্যাগীদের প্রসঙ্গ টেনে তদন্তেরও দাবি জানালেন তিনি।
এদিন নাম না করে কুনাল ঘোষ বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, “বিশাল অঙ্কের টাকার টোপ দিয়ে দলে যোগ করাচ্ছে। কেউ কেউ ইডি, সিবিআই এর তদন্তের ভয়ে, আবার অনেকে বিশাল অঙ্কের টাকার লোভে দলত্যাগ করে অন্য দলে ভিড়ছেন। আমাদের দলে এলে পতাকা আর যোগ্যদের সাংগঠনিক দায়িত্ব দিই।”
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাদের উদ্দেশে কৃণাল ঘোষ এদিন বললে, “বিজেপি এখন তৃণমূলের বি টিম। তৃণমূলের পচাগুলো, জানলা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দেওয়াগুলোকে কুড়িয়ে নিয়ে বিজেপি বাংলা দখল করার স্বপ্ন দেখছে। বিজেপি এখন বাংলায় তৃণমূলের বি টিমে পরিণত হয়েছে।”

এদিন পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রঘুনাথপুর শহরে তৃণমূলের মিছিলে পা মেলান তৃণমূলের এই মুখপাত্র। রঘুনাথপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করার পর রঘুনাথপুর নতুন বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয় মিছিল। সেখানে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করে রঘুনাথপুর বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস। ওই সভায় কুণাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু, স্থানীয় বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি, জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় ব্যানার্জি সহ দলের অন্যান্য নেতা ও কর্মীরা।
“অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আগত বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন নিয়ে জিতবে তৃণমূল।” এদিন সভায় দাবি করেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে রঘুনাথপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কয়েক হাজার ভোটে পিছিয়ে আছে সেটা বিধানসভা ভোটে প্রতিফলিত হবে না। লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা। তার প্রমাণ আপনারা দেখছেন দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে।”

