আমাদের ভারত, ২৬ জুন: ত্রিপুরায় ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হতাশাজনক ফল করেছে তৃণমূল। ৪ কেন্দ্রের তিনটিতে জয়ী হয়েছেন বিজেপি। একটিতে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির ভবিষ্যৎবাণী সত্যি করে ৪ কেন্দ্রে চতুর্থ স্থানে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল।
ত্রিপুরার ৪ কেন্দ্রে তৃণমূলের ভোট শতাংশের হিসেব বলছে যুবাজনগরে তৃণমূল প্রার্থী মৃণাল কান্তি দেবনাথ পেয়েছেন ২.৯৮ শতাংশ ভোট। আগরতলায় তৃণমূল প্রার্থী পান্না দেব পেয়েছেন ২.১ শতাংশ ভোট। সুরমায় তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন নমসুদ্র পেয়েছেন ৩.৬৭ শতাংশ। বরদোয়ালিতে তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা ভট্টাচার্য পেয়েছেন ২.৯৬ শতাংশ ভোট।
ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি পদ্ম শিবির। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য টুইটারে তৃণমূলের উদ্দেশ্যে লেখেন, “বিজেপি চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে। ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা খুব ভালোভাবেই বরদৌলি আসনে জিতেছেন। কিন্তু আসল খবর হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল চতুর্থ হয়েছেন এবং প্রত্যেকটি আসনেই তাদের জামানত জব্দ হয়েছে। এই একই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গেও তার জন্য অপেক্ষা করছে।”
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যানের জন্য ত্রিপুরার মানুষকে ধন্যবাদ।একটা পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত দল। যারা তোষণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। গণতন্ত্রের হত্যাকারী। যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো একটি পরিবারকে খুশি করা। যারা দলকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মত চালাতে চায়।”
কিন্তু ফলাফল নিয়ে বিজেপির কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল। এরপরেও আগামী বিধানসভা ভোটে সরকার গড়ার আশা রাখছেন কুনাল ঘোষরা। তৃণমূলের মুখপাত্র বলেন, এমন ভাবার কোন কারণ নেই যে তৃণমূল হতাশ এবং তৃণমূল এটাকে নেতিবাচকভাবে দেখছে। উপনির্বাচনের ঢালাও সন্ত্রাস করেছে বিজেপি। বাম কংগ্রেস হাতে হাত মিলিয়ে তৃণমূলকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তৃণমূল সব দিক বিচার বিশ্লেষণ করেছে। তৃণমূল আছে থাকবে। ২০২৩ এ ত্রিপুরায় তৃণমূলই সরকারের নেতৃত্ব দেবে।

