সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৬ ফেব্রুয়ারি: এক সঙ্গে ২২ জন প্রার্থী নিয়ে মহা মিছিল করল তৃণমূল। বুধবার দুপুরে মিছিল শুরু হয় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর মতিগঞ্জ মোড় থেকে। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর, জেলা সভাপতি আলোরানী সরকার সহ ২১ জন তৃণমূল প্রার্থী। এই মহা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন না প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য সহ তাঁর স্ত্রী ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী জ্যোৎস্না আঢ্য। তৃণমূলের এক অংশ বলছেন, তাঁর স্বামী শংকর আঢ্যকে প্রার্থী না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে মিছিলে যাননি। অভিযোগ অস্বীকার করে জ্যোৎস্না আঢ্য বলেন, শরীর খারাপের জন্য মিছিলে যেতে পারিনি।
বনগাঁয় ২২ টি ওয়ার্ড। প্রতিটি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। বুধবার দুপুরে বনগাঁর মতিগঞ্জ মোড় থেকে মিছিলটি শুরু করে বাটারমোড় হয়ে এক নম্বর রেলগেটে গিয়ে শেষ হয়। এর পাশাপাশি এই মহা মিছিল সারা বনগাঁ পরিক্রমা করে। এদিন মিছিলে হাঁটেন বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর, তৃণমূল নেত্রী আলোরানী সরকার, প্রাক্তন প্রশাসক তথা তৃণমূলের প্রার্থী গোপাল শেঠ সহ বনগাঁ পৌরসভা ২১ জন প্রার্থী। তাদের সঙ্গে তৃণমূলের ব্যানার পতাকা নিয়ে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক এই মিছিলে হাঁটেন।

বনগাঁর প্রাক্তন প্রশাসক তৃণমূল প্রার্থী গোপাল শেঠ বলেন, “বনগাঁয় মস্তান ও গুন্ডা বাহিনী দিয়ে ভোট করা যাবে না। মানুষ রায় দেবে তৃণমূলের পতাকা উড়বে৷” শংকরবাবুর বিষয়ে তিনি বলেন, “কেন জ্যোৎস্না ও শংকর আঢ্য মিছিলে আসেনি বলতে পারব না। যে মিছিলে হাঁটবে মানুষ তাদের পাশে থাকবে দল তাঁদের পাশে থাকবে”।
অন্য দিকে তৃণমূলের প্রাক্তন চেয়ার ম্যান শংকর আঢ্য বলেন, আমাকে জানানো হয়নি। তাই মিছিলে যাইনি।
অন্য দিকে বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া বলেন, ভুতের মুখে রামনাম, যারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস করছে তারাই বলছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মিছিল ? ক্ষমতা থাকলে সন্তাস না করে ভোট করুক দেখব তৃণমূলের ক্ষমতা।

