আমাদের ভারত, নদীয়া, ১০ জুলাই: ভোট দান প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আক্রান্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। অভিযোগের তীর সিপিআইএম প্রার্থীর দিকে। ঘটনাটি ঘটে গতকাল আনুমানিক রাত দশটা নাগাদ শান্তিপুর বেলঘড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের ২৩১ নম্বর বুথে। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী গোবিন্দ দাস, তৃণমূল নেতা দীনবন্ধু দাস, পিন্টু দাস সহ স্থানীয় বেশ কিছু কর্মী সমর্থক, অঞ্চল সভাপতি সুব্রত সরকারের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিলেন আগামীদিনের কাউন্টিং এজেন্ট হিসাবে কে কে যাবে, কত মার্জিনে জয় আসতে পারে এই সমস্ত নানান দলীয় বিষয় নিয়ে।
সুব্রত বাবুর কথায়, সিপিএম প্রার্থী লিটন শীল এবং ওই এলাকার সিপিএম নেতা গোবিন্দ দাস তাদের উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ এবং গালিগালাজ শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রায় কুড়ি থেকে পঁচিশ জন সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতী লোহার রড, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়। তৃণমূল কর্মীরা যে যার মতন ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে একা পেয়ে সিপিআইএম প্রার্থী লিটন শীলের মাথায় শাবল দিয়ে বারি মারে বলে অভিযোগ। পাশে থাকা কর্মী উজ্জ্বল রাজবংশী তাকে ঠেকাতে গেলে তার হাত ভেঙ্গে যায়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দু’জনকে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
সুব্রতবাবুর জ্ঞান ফেরে আজ সকালে। তিনি বলেন, বিগত ৩৪ বছর ধরে সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর থেকে ওই অঞ্চল মুক্ত করেছি আমরা, তবে এখনো যারা রয়ে গেছে তারা ক্ষমতা হারালেও অত্যাচারের অভ্যাস ভুলে যায়নি। বিষয়টি জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলি, বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী জেনেছেন গতকাল রাতে। তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি এই হার্মাদ বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

