সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৯ নভেম্বর: গতকাল দুপুরে আয়কর দপ্তরের হানার পর রাতভর তল্লাশি চলে তৃণমূল বিধায়ক তন্ময় ঘোষের অফিস, বাড়ি, মদের দোকান ও চালকলে।
এদিকে বিধায়কের বাড়ি থেকে দোকান, মিলে আয়কর হানার পর সারা বিষ্ণুপুর শহরজুড়ে চলছে নানা রটনা। আলোচনায় উঠে আসছে বীমা জালিয়াতি, চালকলে রেশন ও আইসিডিএসের চালের হাতফেরি, অবৈধ বালি কারবার সহ নানা ঘটনা।এইসব আলোচনায় তন্ময় ঘোষের পিতার দুর্ঘটনা জনিত বীমা জালিয়াতি থেকে নাকি তার উত্থান। পরবর্তী সময়ে বিষ্ণুপুরে কংগ্রেসের ডাকাবুকো নেতা ও পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যাম মুখার্জির ঘনিষ্ঠতা তাকে পাদপ্রদীপের তলায় নিয়ে আসে এমনই বক্তব্য বিষ্ণুপুরের বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে।

সেই সময় পুরসভার সমস্ত ঠিকাদারি তার কব্জায়। একদা রেলে লেবার সাপ্লাইয়ের কারণে তার পরিচিতি ঘটে, প্রচুর আয় করার খবরও চাউড় হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর কংগ্ৰেস পরিচালিত বিষ্ণুপুর পুরসভা তৃণমূলের হয়ে যায়।শ্যাম মুখার্জির নেতৃত্বে অধিকাংশ কংগ্রেস কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরেই সরাসরি রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন তন্ময়। তৃণমূলের টিকিটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নাকি একাধিক বালি খাদানের ইজারা লাভ করেন তিনি। এই অভিযোগের সাথেই আরোও অভিযোগ অবৈধ ভাবে বালি পাচারের।
২০২১ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। মিলে যায় বিধানসভার টিকিটও।জিতেও যান। তার কিছুদিন পরেই ফিরে যান তৃণমূলে। গতকাল আয়কর হানার পর নতুন কোনও ঘটনার হদিস মেলে কি না সেদিকেই নজর এখন বিষ্ণুপুরবাসীর।

