আমাদের ভারত, হুগলী, ৭ ফেব্রুয়ারি: প্রথমে টিকিট পেলেও বিধায়ক হবার করাণে নিয়ে নেওয়া হল তার টিকিট। আর তাতেই সমস্যার সুত্রপাত। বিগত পাঁচ বছরে শেওড়াফুলি, বৈদ্যবাটি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন চাঁপদানী পৌরসভার বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন। চেয়ারম্যান থাকাকালীনই তৃণমূল উচ্চ নেতৃত্বের নজরে পড়ায় অরিন্দমবাবুকে চাঁপদানী কেন্দ্রের জন্য বিধায়ক পদের টিকিট দেয়। ভোটের ফলাফলে দেখা যায় এই কেন্দ্রে তিনি বিপুল জনসমর্থনে জয়ী হন। এবারে পৌরভোটে উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ মতো কোনো বিধায়ক টিকিট পাবেন না বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তৃণমূলের পক্ষ থেকে পৌরভোটের তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেলো পৌরভোটেও অরিন্দম গুঁইন লড়তে চলেছেন। শুধু তাই নয় অরিন্দম বাবুর স্ত্রীও টিকিট পেলেন। কিন্তু বিষয়টি বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।

সুত্রের খবর, অনুযায়ী একেবারে উচ্চ নেতৃত্ব অরিন্দম গুঁইনকে ফোনে তাকে এই পৌরভোটে না লড়ার কথা জানিয়ে দেয়। এমনকি তার স্ত্রী’কেও ভোটে না লড়ার কথা জানানো হয়। এরপরই ছন্দ পতন, মাঝে দুটো দিন যাবার পরই রবিবার বিকেলে সরাসরি শেওড়াফুলির রাজপথে আগুল জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিধায়ক অরিন্দম গুঁইনের অনুগামীরা। দু’ঘন্টার ওপর পথ অবরোধ চলার পর পুলিশি মধ্যস্থতায় অবরোধ উঠে যায়। কিন্তু তাতেও দেখা গেল ক্ষোভের আগুন নেভানো য়ায়নি।
ফের সোমবার সকালে একেবারে ব্যাস্ততম সময়ে জিটি রোডের ওপর আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধে নামলো তারা। অবরোধকারীদের দাবি, অবিলম্বে অরিন্দম
গুঁইনকে তার টিকিট ফিরিয়ে দিতে হবে। মহেশতলায় এক বিধায়ককে পৌরভোটের টিকিট দেওয়া হলেও তাদের দাদা কেনো পৌরভোটে লড়তে পারবে না? অবিলম্বে অরিন্দম গুঁইনকে টিকিট দিতে হবে। এদিনও ঘন্টা খানের রাস্তা অবরোধ করা হয়। এরপরই পুলিশ এসে অবরোধকারীদের হঠিয়ে দেয়।

