আমাদের ভারত, ৮ এপ্রিল: রাজ্যের সরকারি অর্থে গত ২৯ ও ৩০ মার্চ তৃণমূলের সভা হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাস্থল পরিস্কার দলের তরফে না করে সরাকরি কোষাগারের অর্থে করা হয়েছে। শনিবার প্রমাণ দাখিল করে এ ব্যাপারে টুইটারে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে সংবিধান সম্মত সরকার চলছে? নাকি পিসি ভাইপোর জমিদারি? শহিদ মিনার চত্বরে ২৯শে মার্চ তৃণমূলের সভার অনুমতি সংক্রান্ত মামলায় ভাইপোর উকিল মহমান্য বিচারপতি কে আশ্বস্ত করেন যে সভার পরে মাঠ পরিষ্কার করে দেবেন তাঁর মক্কেল। পূর্ত দফতর কেন টেন্ডার আহ্বান করলো মাঠ পরিষ্কার করার?”
অপর টুইটারে বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “পিসি দিব্যি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ধর্নায় বসবেন বলে পূর্ত দফতরকে দিয়ে ধর্না মঞ্চ বানিয়ে ফেললেন। তারপরে তৃণমূলের প্রতীক মঞ্চে সেঁটে বসে পড়লেন ধর্নায়। সংবাদমাধ্যম যখন প্রশ্ন তুললো যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নাম গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে না কেন? বললেন যে সরকারের না এটা দলের মঞ্চ।”
তৃতীয় টুইটে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “পূর্ত দফতর কি কোনো রাজনৈতিক দলের সভায় অর্থ ব্যয় করতে পারে? সরকারি টাকা পশ্চিমবঙ্গের জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে ব্যবহার হবে নাকি পিসি ভাইপোর খেয়ালখুশি মতো দলীয় প্রয়োজনে ব্যবহার হবে? এসএসসির চাকরি বিক্রি, কয়লা, গরু, বালি পাচারের টাকা কম পড়েছে? সরকারি কোষাগারের দিকে নজর কেন?”
এই সঙ্গে শুভেন্দুবাবু হাইকোর্টে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি এবং সভাস্থল পরিস্কারের জন্য পূর্ত দফতরের দাখিল করা সরকারি টেণ্ডারের নথি ও একটি ভিডিও টুইটারে যুক্ত করেছেন। ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “আমি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন। এই সরকার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের। এই সভা আমরা রাজ্য সরকারের তরফে না করে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে করছি। কারণ, আপনারা আমাদের দলের প্রতীকটা দেখতে পারছেন। আমি ডাবল ডিউটি পালন করছি। বিজেপির মত সরকারি টাকা খরচ করে দলের সভা করি না।”

