জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২৩ অক্টোবর: কেশপুরে ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে নব্য তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রথম থেকে তৃণমূল করে আসা দুই কর্মী। দলের পুরোনো কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় নব্য তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত কর্মীদের পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। যদিও পারিবারিক বিবাদ থেকে এই সংঘর্ষের ঘটনা বলে জানিয়েছেন কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তমানন্দ ত্রিপাঠী। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার জগন্নাথপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন শাহিদুল রহমান ও সেক আসেফ আলি নামে দুই পুরনো তৃণমূল কর্মী। সেই সময় ১৫/২০ জন এসে অতর্কিতে দুজনের উপর হামলা চালায়। রড, বাঁশ ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় দু’জনকে। স্থানীয়রা আক্রান্ত কর্মীদের উদ্ধার করতে গেলে আক্রমনকারীরা তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। মারধর করার পর হামলাকারীরা চলে গেলে গুরুতর আহত অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে, পরে সেখান থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়।
স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, যাকে কেশপুরে ভোটে জিতিয়ে এনেছি, সেই বহিরাগত বিধায়ক শিউলি সাহার নির্দেশে ব্লক সভাপতি উত্তমানন্দ ত্রিপাঠি বিজেপি থেকে আসা নব্য তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে পুরানো তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে।
যদিও ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তমানন্দ ত্রিপাঠী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটা জমি জায়গা সংক্রান্ত পারিবারিক বিবাদ, এর সঙ্গে দলের কেউ কোনও ভাবে জড়িত নয়। অঞ্চল সভাপতি বিশ্বজিৎ বরদোলই সম্পূর্ণ বিষয়টি জানেন।

