গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তুঙ্গে! জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে মাটিকুন্ডায় মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা

স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ১৮ এপ্রিল: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ইসলামপুর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে। মঙ্গলবার ইসলামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে মাটিকুন্ডা এলাকায় মিছিল করল বিধায়ক করিম চৌধুরীর অনুগামী তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। আবার জাকির হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন উত্তর দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের দক্ষিণ মাটিকুন্ডা গ্রামে মহম্মদ সাকিব নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। মাটিকুন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মেহেবুব আলমের গুলিতে সিভিক ভলান্টিয়ার সাকিবকে খুন হয়েছিল বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের ইসলামপুর ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের নির্দেশে এই খুনের ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ। নিহত সাকিবের পরিবার ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন এবং পঞ্চায়েত প্রধান মেহেবুব আলম সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল। প্রধান মেহেবুব আলম সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি।গ্রেফতার এড়াতে ঘটনার পর থেকেই ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন গাঢাকা দিয়েছিলেন।

পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার আগে রাজ্যের প্রতিটি জেলা, ব্লক এবং অঞ্চল কমিটি ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছে দলের রাজ্য কমিটি। সেই নির্দেশ মেনে জেলায় জেলায় পুর্নাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষণা হয়েছে। সোমবার অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল রাজ্য জুড়ে অঞ্চল কমিটি ঘোষণার শেষ তারিখ ছিল। দলের এই নির্দেশে বেশ খানিকটা বেকায়দায় পড়ে যান সাকিব খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফেরার জাকির হোসেন। পুলিশ তাঁকে কোনওভাবেই ছুঁতে না পারেন তারজন্য জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল তাঁর অনুগামী তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সাধারন সম্পাদক কৌশিক গুন সহ দলের অন্যান্য নেতাদের পাশে বসিয়ে অঞ্চল কমিটি ঘোষনা করেন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন।

এই ঘটনার পরই মাটিকুন্ডা গ্রামের মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। মৃত সাকিবের দাদা শাহনওয়াজ আলমের নেতৃত্বে ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার মাটিকুন্ডা এলাকায় বিশাল মিছিল হয়। অবিলম্বে জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করা না হলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

মৃত সাকিবের দাদা শাহনওয়াজ আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের নির্দেশেই প্রধান মেহেবুব আলম সহ তার দলবল সাকিবকে গুলি করে হত্যা করেছিল। পুলিশের কাছে প্রধান মেহেবুব আলম, ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার এড়াতে জাকির হোসেন গাঢাকা দিয়েছিলেন। রবিবার ইসলামপুর শহরে তাকে দেখা যায়। সোমবার জাকির হোসেন সাংবাদিক সন্মেলন করে অঞ্চল কমিটি ঘোষণা করলেন। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফেরার ব্যক্তি কীভাবে সাংবাদিক সন্মেলন করে অঞ্চল কমিটি ঘোষণা করলেন প্রশ্ন মৃতের দাদার।

এই পরিস্থিতিতে ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। জেলা সভাপতি জানিয়েছেন৷ কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই পারে। অভিযোগ করলেই তাকে গ্রেফতার করতে হবে এর কোনও কারন নেই। পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলে তবে তাকে গ্রেফতার করে।

বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী বলেন, রক্তাক্ত হাত নিয়ে কীভাবে ইসলামপুরে ঢুকলেন। একজন খুনের আসামী কীভাবে জনসমক্ষে আসল এবং পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে ফেরার আসামী সাংবাদিক সন্মেলন করলেন? খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেসের এই গোষ্ঠীদ্বন্দকে উপভোগ করছে বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপি নেতা সুরজিৎ সেনের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস করে খেতে এক গোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীকে খুন করছে। বন্ধ হয়ে পড়েছে উন্নয়ন। এই লড়াইয়ে সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

*উত্তর দিনাজপুরঃ-* পঞ্চায়েত ভোটের আগে ইসলামপুর ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে। মঙ্গলবার ইসলামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে মাটিকুন্ডা এলাকায় মিছিল করল বিধায়ক করিম চৌধুরীর অনুগামী তৃণমূল কংগ্রেস কর্মিরা। অভিযুক্ত জাকির হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন উত্তর দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তার দাবি যে কেউ পুলিশের কাছে অভিযোগ করতেই পারেন পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করবে। জেলা সভাপতি এই দাবি করলেও তা মানতে রাজী নন বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তিনি এবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে পুলিশের হাত খুলে দেওয়ার আর্জি জানালেন। বিধায়ক আরও জানিয়েছেন, কিভাবে একজন খুনের আসামী পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে একটি সাংবাদিক সন্মেলন করতে পারলেন। গোয়েন্দা বিভাগের ব্যার্থতার অভিযোগ করেন। তিনি আবারও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন। তৃণমূল কংগ্রেস এধরনের গোষ্ঠীদ্বন্দকে উপভোগ করছে বিজেপি। তাদের দাবি, এই দলে দর কষাকষির রাজনীতি চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের দক্ষিন মাটিকুন্ডা গ্রামে মহম্মদ সাকিব নামে এক ব্যাক্তিকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। মাটিকুন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মেহেবুব আলমের গুলিতে সিভিক ভলান্টিয়ার সাকিবকে খুন হয়েছিল বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের ইসলামপুর ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের নির্দেশেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ। মৃত সাকিবের পরিবার পুলিশের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন এবং পঞ্চায়েত প্রধান মেহেবুব আলম সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল। পুলিশ প্রধান মেহেবুব আলম সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি।গ্রেফতার আড়াতে ঘটনার পর থেকেই ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন গাঁ ঢাকা দিয়েছিলেন। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষনার আগে রাজ্যের প্রতিটি জেলা, ব্লক এবং অঞ্চল কমিটি ঘোষনার নির্দেশ দিয়েছে দলের রাজ্য কমিটি। নির্দেশ মেনে জেলায় জেলায় পূর্নাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষনা হয়েছে। সোমবার অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল রাজ্য জুড়ে ব্লক সভাপতিরা অঞ্চল কমিটি ঘোষনার শেষ তারিখ ছিল। দলের এই নির্দেশ বেশ খানিকটা বেকায়দায় পড়ে যান সাকিব খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফেরার জাকির হোসেন। পুলিশ তাকে কোনভাবেই ছুঁতে না পারেন তারজন্য জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল অনুগামী তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সাধারন সম্পাদক কৌশিক গুন সহ দলের অন্যান্য নেতাদের পাশে বসিয়ে অঞ্চল কমিটি ঘোষনা করেন ব্লক সভা জাকির হোসেন। এই ঘটনার পরই মাটিকুন্ডা গ্রামের মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। মৃত সাকিবের দাদা শাহনওয়াজ আলমের নেতৃত্বে ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার মাটিকুন্ডা এলাকায় বিশাল মিছিল করে। অবিলম্বে জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করা না হলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন। মিছিল শেষে আন্দোলনকারি বিধায়ক করিম চোধুরীর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাকির হোসেনের গ্রেফতারের দাবি করেছেন। মৃত সাকিবের দাদা শাহনওয়াজ আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের নির্দেশেই প্রধান মেহেবুব আলম সহ তার দলবল সাকিবকে গুলি করে হত্যা করেছিল। পুলিশের কাছে প্রধান মেহেবুব আলম, ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার এড়াতে জাকির হোসেন গাঁ ঢাকা দিয়েছিলেন। রবিবার ইসলামপুর শহরে তাকে দেখা যায়। সোমবার জাকির হোসেন সাংবাদিক সন্মেলন করে অঞ্চল কমিটি ঘোষনা করলেন। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফেরার কিভাবে সাংবাদিক সন্মেলন করে অঞ্চল কমিটি ঘোষনা করলেন প্রশ্ন মৃতের দাদার।পুলিশের প্রতি তাদের আস্থা আছে। তার আশা পুলিশ মূল অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাবস্থা করবে। শাহনওয়াজ যেই দাবি করুক ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল।জেলা সভাপতি জানিয়েছেন৷ কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই পারে। অভিযোগ করলেই তাকে গ্রেফতার করতে হবে এর কোন কারন নেই। পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলেই তবে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী একধাপ এগিয়ে বলেন রক্তাক্ত হাত নিয়ে কিভাবে ইসলামপুরে ঢুকলেন। একজন খুনের আসামী কিভাবে জনসমক্ষে আসল। পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে ফেরার আসামী সাংবাদিক সন্মেলন করলেন তানিয়ে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন। খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন। তৃনমূল কংগ্রেসের এই গোষ্ঠীদ্বন্দকে উপভোগ করছে বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপি নেতা সুরজিৎ সেনের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস করে খেতে এক গোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীকে খুন করছে। বন্ধ হয়ে পড়েছে উন্নয়ন। এই লড়াই এ সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *