বিডিওর বিরুদ্ধে হাঁসন বিধানসভার বিধায়কের কাছে অভিযোগ তৃণমূলের

আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ১৬ জানুয়ারি: “বিডিও চেয়ারে বসে নিজের ইচ্ছে মতো তালিকা তৈরি করছেন। তালিকায় আগে থাকা নাম টপকে পরের উপভোক্তাদের বাড়ি পাইয়ে দিচ্ছেন। এব্যাপারে আমাদের আপত্তি গ্রাহ্য হয়নি। প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য, অঞ্চল সভাপতি কারও কথার গুরুত্ব দেন না বিডিও”। দিদির দূত হাঁসন বিধানসভার বিধায়ককে কাছে পেয়ে এমনই অভিযোগ করলেন ভদ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের স্বামী সুবীর মণ্ডল।

সোমবার সকালেই ভদ্রপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের আকালীপুর গুহ্যকালী মন্দিরে পৌঁছে যান হাঁসন বিধানসভার বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে মন্দিরে মা কালীর পুজো দেন তিনি। সেখানে মন্দিরের সেবাইত বিধায়কের কাছে একটি হাইমাস্ট লাইট দাবি করেন। বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায় হাইমাস্ট লাইটের প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস দেন। তৃণমূল কর্মী রণজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভদ্রপুরে একটি জুনিয়ার বালিকা বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু শিক্ষিকার অভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এটা আমাদের লজ্জা”। অশোকবাবু বলেন, “উচ্চ আদালতে মামলা চলায় নতুন করে নিয়োগ হচ্ছে না। ফলে বহু স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকার পদ ফাঁকা রয়েছে। মামলা মিটলে সব কিছু স্বাভাবিক হবে”।

এরপর এদিন দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্কুলে যান। সেখানকার পঠনপাঠন নিয়ে আলোচনা করেন। কথা বলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। বিডিও হুমায়ূন চৌধুরী বলেন, “অভিযোগ ঠিক নয়, ভদ্রপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচুর অযোগ্য ব্যক্তির নাম ছিল। আমরা তদন্ত করে সে গুলি বাদ দিয়েছি”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *