ত্রিপুরায় ফের তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ, আক্রান্ত সুবল ভৌমিক

রাজেন রায়, ত্রিপুরা, ৮ আগস্ট: শনিবার আক্রান্ত হতে হয়েছিল তৃণমূল কর্মীদের। সে ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার ১৪ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ত্রিপুরার পুলিশ। ত্রিপুরা আগরতলা থেকে সোজা খোয়াই থানায় পৌঁছান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন কুনাল ঘোষ দোলা সেন। এভাবে চক্রান্ত করে আটকানো যাবে না, হুমকি দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু এই ১৪ জন তৃণমূল কর্মীকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ফের হামলার অভিযোগ। তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিকের উপর হামলার অভিযোগ। ওই তৃণমূল নেতার দাবি, তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ইট, পাথর ছোড়া হয়েছে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে। 

অন্যদিকে থানাতেই বসে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশকে কুনাল ঘোষের অভিযোগ, “ভিত্তিহীন মামলা কেন দিচ্ছেন? যাদের মারে তৃণমূলের কর্মীর মাথা ফাটল তাদের কেন গ্রেফতার করছে না পুলিশ? খেতে দেয়নি, চিকিৎসা করায়নি। যে ভিত্তিহীন ধারা দেওয়া হয়েছে তার প্রতিবাদ করছি।”

“যারা বাইরে দাড়িয়ে কাল পতাকা দেখাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে মহামারী আইন নয়, যারা কাল পাথর মারল তাদের বিরুদ্ধে মহামারী আইন নয়, আর আইন প্রযোজ্য হচ্ছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে, যারা জমায়েত করে পাথর মারল, তাদের বিরুদ্ধে কেন আইন লাগু হবে না?” প্রশ্ন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে গতকাল তৃণমূলের ১৪ জন নেতানেত্রীকে গ্রেফতার করে খোয়াই থানার পুলিশ।
রবিবার ত্রিপুরায় পৌঁছেই সেরাজ্যের সরকার তথা বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, “ধমকে চমকে গণতন্ত্রের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু তাদের যত ক্ষমতা আছে প্রয়োগ করুক। ত্রিপুরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।” অভিষেক আরও বলেন, “তৃণমূল কর্মী সর্থকদের ওপরে আক্রমণ করা হল। আর যারা করেছে তাদের গ্রেফতার না করে যাঁরা আক্রান্ত তাঁদের জেলে ঢোকান হল। ত্রিপুরা মানুষ দেখছেন, সমগ্র দেশের মানুষ দেখছেন। গণতন্ত্রের কী অবস্থা ত্রিপুরা মানুষ উপলব্ধি করছেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *