পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৪ অক্টোবর: সাংগঠনিক বৈঠক সেরে ফেরার পথে সুকান্তর কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দেওয়া হয় চোর সুকান্ত ও গো ব্যাক শ্লোগান। বুধবার সন্ধ্যায় এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত শহর হিলিতে। ঘটনা নিয়ে হিলি ব্লক সভাপতি মিহির সরকার সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হিলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি নেতৃত্বরা।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে পালটা আক্রমনের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলও। তাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তাদের উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে সাংসদ ও তার দলবলেরা। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। যদিও সে বিষয়টি অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্বদের দিকে পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

জানা যায়, এদিন বিকেলে হিলির আদর্শ ভবন নামে একটি ধর্মশালায় সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। যেখান থেকে ফেরবার সময় হিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চায়ের দোকানে কর্মীদের সাথে একত্রিতভাবে আড্ডায় বসেছিলেন সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অন্যদিকে সেই এলাকাতেই চলছিল একশো দিনের কাজের টাকার দাবি নিয়ে তৃণমূলের আন্দোলন। অভিযোগ, সেখান থেকেই আচমকা তৃণমূল নেতৃত্বরা চড়াও হয় সাংসদের কনভয়ে। বিষয়টি লক্ষ্য করে ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গাড়ি থেকে নামতেই সুকান্তর সাথে শুরু হয় তৃণমূল নেতৃত্বদের বচসা। দেওয়া হয় চোর সুকান্ত ও গো ব্যাক শ্লোগান। যাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। যদিও ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে হিলি থানার পুলিশ। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে পালটা সুকান্তর বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে তৃণমূল।
তৃণমূল নেতা বিশাল ঘোষ বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলার সময় তাদের উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সাংসদ ও তার দলবলেরা। কনভয়ের উপর আক্রমণের অভিযোগ ভিত্তিহীন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, তার গাড়ির উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের লোকজন। তাদের উপর আক্রমণ করার সুপরিকল্পিত প্ল্যান থেকেই এই ঘটনা। একইসাথে চোর শ্লোগান নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন সুকান্ত।

