আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ৩ এপ্রিল: নির্বাচনী বিধি ভেঙে বাড়ি বাড়ি শাড়ির কুপন বিতরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রীতিমতো শাড়ির ছবি দেওয়া কুপন ছাপিয়ে তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এনিয়ে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে সাঁইথিয়ার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত সাহা।
জানা গিয়েছে, দিন দুয়েক ধরে সাঁইথিয়া বিধানসভার বনগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে তৃণমূল কর্মীরা কুপন দিয়ে বেড়াচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বনগ্রাম অঞ্চলের পক্ষে ওই কুপন ছাপা হয়েছে। কুপনের মাঝে দলীয় প্রতীক এবং দুই দিকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোড় হাত করা ছবি। নিচে প্রাপকের নাম ঠিকানার ঘর ফাঁকা রেখে শাড়ির ছবি দেওয়া হয়েছে।

আগামী ৫ এপ্রিল সাঁইথিয়া এলাকায় দলের কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডলের সভা করার কথা। ওইদিন কুপন দেখিয়ে শাড়ি নিতে হবে মহিলাদের। বিষয়টি জানাজানি হতেই নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত সাহা। তিনি বলেন, “অনুব্রত মণ্ডলের সভা থেকে শাড়ি বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। সেই কারণে তৃণমূল কর্মীরা বাড়ি বাড়ি শাড়ির কুপন বিতরণ করছে। এখন তো পুজো, বা ঈদ নেই। তাহলে ভোটের মুখে শাড়ি বিলি করতে হচ্ছে কেন। উন্নয়ন হয়ে থাকলে মানুষ এমনিতেই ভোট দেবেন। শাড়ি দিয়ে ভোট কেনা মানে তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই। তাই শাড়ির প্রলোভন দিয়ে ভোটে জেতার চেষ্টা করছে। কিন্তু মানুষ আর ওদের ফাঁদে পা দেবেন না। এবার সাঁইথিয়া বিধানসভায় বিজেপিকেই জয়ী করবে। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হবে।”
তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সাবের আলি বলেন, “এখন নির্বাচন বিধি লাগু হয়েছে। সকলকে নির্বাচনী বিধি মেনে চলা উচিত। আমি জানতাম না। পরে শুনলাম কুপনের কথা। যারা এসব করছে ঠিক করেনি।”

