Mallarpu, Tribal girl, মল্লারপুরে আদিবাসী নাবালিকাকে ধ*র্ষ*ণ, ছয় জনের পুলিশ হেফাজত

আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, রামপুরহাট, ১৬ ডিসেম্বর: যাত্রা দেখে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হলেন এক আদিবাসী নাবালিকা। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মল্লারপুর থানার শিবপুর গ্রামে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ছয় অভিযুক্তকে। ধৃতদের মঙ্গলবার রামপুরহাট মহকুমা পকসো আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ছয়দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
 
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা নাবালিকার বাড়ি রামপুরহাট থানার ধরমপুর গ্রামে। সোমবার রাতে বীরভূমের মল্লারপুর থানার শিবপুর গ্রামের বাগানপাড়ায় আদিবাসীদের যাত্রানুষ্ঠান চলছিল। সেই যাত্রা দেখতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সঙ্গে ছিলেন মহম্মদবাজার থানার আগোয়া গ্রামের বাসিন্দা এক নিকট আত্মীয়। যাত্রা দেখে রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তার মোটর বাইকে বাড়িতে ফিরছিল নির্যাতিতা। নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, ফেরার সময় মল্লারপুর থানার শিবপুর গ্রামের কাছে ঘাগা বাইক থামিয়ে নাবালিকাকে জোর করে জঙ্গলে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতন করা হয়। দু’জন বাইক চালকে আটকে রাখে। নিকট আত্মীয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন জমায়েত হয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। খবর দেওয়া হয় মল্লারপুর থানায়।

নির্যাতিতার বাবা জানান, তার নিকট আত্মীয় অভিযুক্তদের চিনতে পারে। তার বয়ান অনুযায়ী পুলিশ রাতভর আভিযান চালিয়ে ছয় জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতরা হলো সমাপ্ত কোনাই, অরিন্দম সোরেন, শুভজিৎ ঘোষ, বনমালি ঘোষ, সুজিত ঘোষ ও অভিজিৎ ঘোষ। প্রত্যেকের বাড়ি শিবপুর গ্রামে। মঙ্গলবার নির্যাতিতা নাবালিকাকে রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। ধৃতদের এদিন রামপুরহাট মহকুমা আদালতে নিয়ে গেলে আদালত চত্বরেই অভিযুক্তদের উপর চড়াও হন উত্তেজিত আদিবাসীরা। পরে অবশ্য পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন ধৃতদের পকসো আদালতে তুলে পুলিশ আট দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। বিচারক ছয়দিন হেফাজত মঞ্জুর করেছে।

পকসো আদালতের সরকারি আইনজীবী দেবপ্রসাদ ভট্টাচার্য বলেন, “ধৃতদের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন এবং ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। তাদের ২২ ডিসেম্বর ফের আদালতে তোলা হবে।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *