সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৯ ডিসেম্বর: শীতের শুরুতেই বাঁকুড়া জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র শুশুনিয়ায় পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।যার ফলে শুশুনিয়ার পাথর শিল্পী থেকে দোকানদার সকলেই এই মরশুমে ভালো আয় হবে বলে মনে করছেন।
অন্যদিকে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে পাহাড়ে ওঠার প্রশিক্ষণ। এসব মিলিয়ে শুশুনিয়া এখন জমজমাট।
উল্লেখ্য, রক ক্লাইম্বিং ইনস্টিটিউটে শুশুনিয়ায় পাহাড়ে ওঠার প্রশিক্ষণ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবক-যুবতীরা এসেছেন শুশুনিয়ায়। বাঁকুড়া এক্সপ্লোরেশন নেচার আ্যকাডেমি আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে শেখানো হচ্ছে দড়ি-নট বাঁধা, র্যাপেলিং, বেলেয়িং, ব্যালান্স সহ পাহাড়ে ওঠার মৌলিক থেকে উন্নত কৌশল। নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে আধুনিক ক্লাইম্বিং সরঞ্জামে।আয়োজকদের আশা, এই কোর্স গড়ে তুলবে নতুন প্রজন্মের দক্ষ ক্লাইম্বার।
অন্যদিকে শুশুনিয়ায় বেড়াতে আসা আসানসোলের একদল পর্যটক এসেছেন, তারা বলেন যে, ১৭ জন বন্ধু এদিন শুশুনিয়ায় বেড়াতে এসেছেন। প্রতিবছর আসেন এখানে বেড়াতে। কাছাকাছির মধ্যে সবথেকে সুবিধাজনক পর্যটন ও পিকনিক কেন্দ্র শুশুনিয়া। এবছর পাহাড়ে ওঠার কৌশল ও প্রশিক্ষণ দেখতে পেয়ে তারা খুশি।
শুশুনিয়ার পাদদেশের পাথর শিল্পীদের বক্তব্য, শুশুনিয়ায় এবার শীতের শুরু থেকেই ভাল ভিড় হচ্ছে। এবার পর্যটক সংখ্যা বাড়বে বলে তাদের ধারণা। এতে পাথরের সামগ্রী ভাল বিক্রি হতে পারে বলে তাদের আশা।
শুশুনিয়ায় আসা বিভিন্ন পিকনিক দলের ফরমায়েশ খেটে বা জোগাড়ের কাজ করে রোজগার করে স্থানীয় বেশ কিছু মানুষ। জোগাড়ির কাজ করে দু’ পয়সা কামানো ভজু দাস ও মলয় রায় জানান যে, এবার শীত পড়তেই পিকনিক দল আসতে শুরু করেছে। এবার সংখ্যা বাড়বে বলে তাদের আশা। তাই এই কাজে ভালই রোজগার হবে বলে তাদের আশা।

