আমাদের ভারত, ১৭ মার্চ: ১১০% কাজ করেছে তাঁর সরকার গত ১০ বছরে। দলের ইস্তেহার প্রকাশের সময় এমনটাই দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরলে আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের ইশতেহারে। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পগুলি ছাড়াও আরো বেশকিছু নতুন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের ইশতেহারে রাজ্যের সব পরিবারকে বছরে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তফশিলি জাতির ক্ষেত্রে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
ছাত্র-ছাত্রী অর্থাৎ পড়ুয়াদের জন্য ক্রেডিট কার্ড, কৃষকদের জন্য বাৎসরিক সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এছাড়া শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ,আবাসন, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের ক্ষেত্রেও একাধিক বিশেষ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
দলের ইশতেহারে যে দশটি অঙ্গীকার করেছেন দিদি তাহলো—
*অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে অনেক সুযোগ রয়েছে। আরো সুযোগ তৈরি লক্ষ্য নেওয়া হবে।
*৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান, বেকারের সংখ্যা অর্ধেক করা।
*পরিবার পিছু মাসিক ৫০০ টাকা, পিছিয়ে পড়াদের হাজার টাকা।
*সব পরিবারের বছরের ন্যূনতম ৬০০০ টাকা নিশ্চিত করা
*পড়ুয়াদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। ৪% সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ।
*ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হবে আরো অনেক জনগোষ্ঠীকে।
*খাদ্যসাথী প্রকল্পের নতুন ব্যবস্থায় দেড় কোটি পরিবারকে “দুয়ারে রেশন” দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
*পঞ্চাশটি শহরে ৫ টাকায় পেট ভরে আহারের ব্যবস্থা, রাজ্যের মোট আড়াই হাজার “মা” ক্যান্টিন।
*কৃষক বন্ধু প্রকল্পের বার্ষিক অনুদান বৃদ্ধি। ১ কাঠা জমি থাকলেই সুবিধা পাবেন কৃষকরা।
*বাংলা আবাস যোজনায় আরো ২৫ লক্ষ বাড়ি নির্মাণ।
এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলি হলো—
আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ। বার্ষিক দশ লক্ষ নতুন এমএসএমই তৈরি। ২৩টি জেলা সদরে মেডিকেল কলেজ। প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ। ৪৭ লক্ষ পরিবারকে নলযুক্ত পানীয় জল।

