আমাদের ভারত, ১৮ ফেব্রুয়ারি:তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় স্তরে সমস্ত পদ ভেঙে দিয়ে গঠিত হয়েছিল ২০ সদস্যের জাতীয় কর্মসমিতি। এরপর শুক্রবার সেই নবগঠিত কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আর সেখানেই আবার পুরনো পদে ফিরিয়ে আনা হলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রমাণ হয়ে গেল দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ভাইপোই। আবার দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত শনিবার সর্বভারতীয় তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে মমতা বন্দোপাধ্যায় ছাড়া কারো কোন পদ ছিল না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুব্রত বক্সীর সহ সকলের পদের অবলুপ্তি ঘটিয়েছিলেন দিদি। শুক্রবার নতুন কর্মসমিতির বৈঠকে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সাধারণ সম্পাদক করলেন দিদি। জল্পনা তৈরি হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাই সাধারণ সম্পাদক থাকবেন, নাকি তার সাথে অন্য কাউকে যুগ্ম-সম্পাদক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দেখা গেল শুধু অভিষেক একাই সাধারণ সম্পাদক। অর্থাৎ আবারো প্রমাণ হয়ে গেল অভিষেকই দলের নম্বর টু।
বিকেল পাঁচটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে বসে তৃণমূলের নবগঠিত কর্মসমিতির বৈঠক। বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য। সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষ হলেন অরূপ বিশ্বাস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমন্বয়কারী হিসেবে থাকছেন ফিরহাদ হাকিম। বৈদেশিক ও অর্থনৈতিক নীতি দেখবেন অমিত মিত্র ও যশবন্ত সিনহা। জাতীয় মুখপাত্র শুখেন্দু শেখর রায়। রাজ্যসভা ও লোকসভায় মুখপাত্র হিসেবে থাকবেন যথাক্রমে শুখেন্দু শেখর রায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। উত্তর-পূর্ব ভারতে দায়িত্বে থাকবেন সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিক, মুকুল সাংমা।

