আমাদের ভারত, হুগলি, ২ মার্চ: সারা রাজ্যের পাশাপাশি হুগলি জেলায় পুরসভার ফল বের হতেই উল্লাসে ফেটে পড়লেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। হুগলিতে মোট ১২টি পুরসভার মধ্যে ১১টা পুরসভার দখল নিল তৃণমূল। চাঁপদানী পুরসভার ফল ত্রিশঙ্কু হয়েছে। এই পুরসভায় মোট আসন ২২টা। তার মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১১টা। নির্দল পেয়েছে ১০টা। কংগ্রেস পেয়েছে ১টা।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁপদানী পুরসভায় নির্দল কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল বোর্ড গঠন করবে।
চুঁচুড়া পুরসভায় মোট আসন ৩০টা। এর মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ২৯টা, সিপিএম পেয়েছে ১টা।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভায় মোট আসন ২২টা। তৃণমূল পেয়েছেন ২১টা, বামেরা পেয়েছে ১টা।
ভদ্রেশ্বর পুরসভায় মোট আসন ২২। তৃণমূল পেয়েছে ২০, বিজেপি ১, নির্দল ১।
বৈদ্যবাটি পুরসভায় মোট আসন ২৩ টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৬, কংগ্রেস ২, সিপিএম ১, ফরওয়ার্ড ব্লক ১, ও নির্দল পেয়েছে ৩ টি আসন।
শ্রীরামপুর পুরসভায় মোট আসন ২৯টা। তৃণমূল পেয়েছে ২৪টা, সিপিএম পেয়েছে ১, কংগ্রেস ১, নির্দল পেয়েছে ২ টো, অমীমাংসিত একটি (২নম্বর ওয়ার্ড) মেশিন বিকল।
রিষড়া পুরসভায় মোট আসন ২৩টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৯, বিজেপি পেয়েছে ২, কংগ্রেস পেয়েছে ১ ও নির্দল পেয়েছে ১টি আসন।
কোন্নগর পুরসভায় মোট আসন ২০টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৭, কংগ্রেস পেয়েছে ১, নির্দল পেয়েছে ১ ও সিপিএম পেয়েছে ১টি আসন।
উত্তরপাড়া পুরসভায় মোট আসন ২৪টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৯, সিপিএম ৩, কংগ্রেস ১ ও নির্দল পেয়েছে ১ টি আসন।
ডানকুনি পুরসভায় মোট আসন ২১টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৯টা, কংগ্রেস ১ ও নির্দল পেয়েছে ১ টি আসন।
তারকেশ্বর পুরসভায় মোট আসন ১৫টা। তৃণমূল ১৫টা আসনেই জিতেছে। এই পুরসভা বিরোধীশূন্য হয়েছে।
আরামবাগ পুরসভায় মোট আসন ১৯টা। তৃণমূল পেয়েছে ১৮টা। বিজেপি পেয়েছে ১ টা।
বুধবার সকাল থেকেই জেলার একাধিক পুরসভায় তৃণমূল প্রার্থীরা এগিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা সবুজ আবির খেলতে শুরু করেন। বেলা বাড়তেই মুহূর্তের মধ্যেই যেন সেই আবির খেলা অকাল হোলিতে পরিণত হয়েছিল। দিনভর দলীয় কর্মীরা যেমন খুশি তেমন আবীর খেলো কিম্বা যেমন খুশি তেমন আনন্দ করো। এই ভাবে ভোট উৎসবে মেতে উঠেন। কেউ তাসা বাজিয়ে নিজেদের আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করেন। তো কেউ আবার কুড়কুড়ি বাজিয়ে এলাকা গরম করে দিয়েছিলেন। কেউ আবার বিরাট দলীয় পতাকা বাইকে লাগিয়ে এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ছুটে বেড়িয়েছেন। কেউ আবার খানিক মিছিল করে খেলা হবে গানের সঙ্গে নাচ করে নিজেদের আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করেছেন। যদিও এদিন বেলা বাড়তেই বাম কিম্বা গেরুয়া শিবিরের কোনও সমর্থকদেরই গণনা কেন্দ্রের আশেপাশে দেখা যায়নি।

