স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ২৯ জানুয়ারি: তিন দিন ধরে নিখোঁজ শিশুর রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য। করনদিঘির মেলার মাঠ সংলগ্ন একটি ইটভাটার পাশে কবরস্থানের ঝোপঝাড় থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় গ্রেফতার মৃতের মা সহ এক ব্যক্তি। মায়ের পরকীয়ার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ানোয় কি খুন ৭ বছরের ছেলে? কে করল খুন, মা নাকি তার প্রেমিক নাকি দুজনেই? এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে আসছে।
উত্তর দিনাজপুর জেলার করনদিঘির কামারতোর গ্রামে দাদুর বাড়ি বেড়াতে গিয়ে দিন তিনেক আগে নিখোঁজ হয়ে যায় বছর সাতের গোলাম সরবর। পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের শুরুতেই মহম্মদ মেকাইল নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই শুক্রবার রাতে মৃতদেহের হদিশ পায় পুলিশ।
মৃতদেহের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন মিলেছে, যাতে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। আবার তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে মেলার মাঠের পাশে কবরস্থানের ঝোপে ফেলে দিলে বন্য জন্তু মুখ খুবলে খেয়ে থাকতে পারে বলেও অনুমান।

এদিকে ঘটনায় গ্রেফতার মেকাইলের পাশাপাশি মৃতের মা সেলিমা খাতুনকেও শুক্রবার রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো এক সন্দেহভাজনকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের মায়ের সাথে মেকাইলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল, আর ছেলে তা দেখে নেওয়াতেই পথের কাঁটা সরিয়ে ফেলতেই মা ও তার প্রেমিক খুন করেছে বলে অভিযোগ করেন মৃতের পরিবার।
ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে শনিবার সকালে তাদের ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

