সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১০ এপ্রিল: সকালে ফিরে যাওয়ার পর আবার জেলা আদালতে ফিরে এল সিবিআই’য়ের বিশেষ তদন্তকারী দল ও আইনজীবী। বিচারক এজলাসে আসার পর তাদের আবেদন শোনেন ও ধৃত ৩ জনকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতদের মধ্যে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা কলেবর সিং’য়ের ৫ দিন ও ঝালদার বাসিন্দা নিহত তপন কান্দুর দাদা নরেন কান্দু, আসিক খানের ৭ দিন সিবিআই’য়ের হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুরুলিয়া জেলা সংশোধনাগার থেকে ধৃতদের জেলা আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালত থেকেই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয় সিবিআই। ধৃতদের ঝালদা ফরেস্ট গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাদের জেরা করা হয়।

আজ সকালে জেলা আদালত খোলার আগেই সিবিআইয়ের আইনজীবী ও ইনভেস্টিগেশন অফিসার রঞ্জন কীর্তনীয়া চলে আসেন। জিআরও অফিসে তারা আবেদন জানান। যদিও আদালত খোলার পর বিচারক তাদের আবেদনে সাড়া দেননি। ছুটির দিন হওয়ায় তাদের আগামীকাল আসার জন্য বলেন। এই নিয়ে পর পর ৩ দিন ঘোরার পর সিবিআই আধিকারিকরা তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকেই হাইকোর্টে যোগাযোগ করা হয়। তারপরেই ঘটনার মোড় নেয়। যোগাযোগ করা হয় সিবিআইয়ের আইনজীবীর সাথে। তাঁদের আদালতে আসার জন্য বলা হয়। ঝালদা থেকে সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল ও আইনজীবী জেলা আদালতে আবার ফিরে আসেন। তারপর জেলা আদালতের বিচারক ৩য় কোর্টে তাদের আবেদন শোনেন এবং তাদের আবেদন মঞ্জুর করেন। তারপরই ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই তদন্তকারী দল।
অভিযুক্ত কলেবর সিং’য়ের দাবি, “আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি দিদির বাড়িতে এসেছিলাম।”

