আমাদের ভারত, ৬ সেপ্টেম্বর: আগেই অসমে বিজেপি সরকার বেআইনি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বেআইনি মাদ্রাসা। ইতিমধ্যেই তিনটি বড় মাদ্রাসা একেবারে ধুলিস্যাৎ করেছে সেই রাজ্যের পুলিশ। কিন্তু মঙ্গলবার ওই রাজ্যের গোয়ালপাড়া জেলার একটি মাদ্রাসা সরকার নয়, সাধারণ মানুষ গিয়ে ভেঙ্গে দিল। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, মাদ্রাসাটিতে জেহাদি কার্যকলাপ চলত।
যারা মাদ্রাসাটি পরিচালনা করত তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। এদিক অসম পুলিশের ডিজি ভাস্কর জ্যোতি মুসলিম সংগঠনগুলিকে বৈঠক ডাকার পরামর্শ দেন। তারা যেন ইসলামিক জঙ্গি তৎপরতা সম্পর্কে সচেতন থাকেন।
প্রসঙ্গত, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা কদিন ধরেই বলে চলেছেন রাজ্যে ইসলামিক জঙ্গিরা মাথা তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যকে জঙ্গিদের আশ্রয় স্থল হতে দেবেন না। শর্মার অভিযোগ, বেশ কিছু মাদ্রাসা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত। গত এক সপ্তাহের মধ্যে বরগাঁও মরিগাঁও ও বরপেটা জেলায় তিনটি স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে। আর আজ সাধারণ মানুষও সেই অভিযানে হাত লাগালো।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, মাদ্রাসায় শিক্ষকের চাকরিতে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের জঙ্গিরা। কয়েকদিন আগেই পুলিশ জালালউদ্দিন শেখ নামে এক মৌলবীকে গ্রেপ্তার করেছে। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক বলেই জানা গিয়েছিল।

