রাজেন রায়, কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে চলতি সপ্তাহ থেকে জেলায় জেলায় সিবিআই তদন্ত শুরু করলেও দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না রাজ্য সরকারের সিটের। সিবিআই সফরে থাকা সত্ত্বেও কেন সিট এখনও কাজ শুরু করেনি, সেই নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেশ কিছু মামলাকারী। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হল। সিবিআইয়ের মত সিটকেও চারটি জোনে ভাগ করল রাজ্য।
বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে চারটি জোনে ভাগ করে তদন্তের কথা জানানো হয়েছে। প্রত্যেক জোনে দু’জন করে আইপিএস রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই তদন্ত করবেন তাঁরা। নির্দেশিকা অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে রাজ্যকে চারটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। রয়েছে নর্থ জোন, সাউথ জোন, ওয়েস্ট জোন। এ ছাড়া সিটের সদর দফতরে থাকবেন দু’জন। কলকাতা পুলিশের দু’জন আধিকারিককেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
হেড কোয়ার্টারের দায়িত্বে থাকছেন রেলের ডিআইজি সোমা দাস মিত্র, ডিসি শুভঙ্কর ভট্টাচার্য। নর্থ জোনে থাকবেন উত্তরবঙ্গের আইজিপি ডিপি সিং ও মালদা রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীন কুমার ত্রিপাঠি। ওয়েস্ট জোনের দায়িত্বে থাকছেন পশ্চিমাঞ্চলের এডিজি সঞ্জয় সিং, বর্ধমান রেঞ্জের আইজিপি বিএল মীনা। সাউথ জোনে তদন্তের ভার থাকবে দক্ষিণবঙ্গের এডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত ও বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। কলকাতা পুলিশের ক্ষেত্রে তদন্তে দায়িত্ব নেবেন আইপিএস তন্ময় রায় চৌধুরী ও আইপিএস নীলাঞ্জন বিশ্বাস।

