স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ২৩ মার্চ: “তাদেরই চাকরি হবে, যে সকাল সন্ধ্যা মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ বলছে। যে তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ করছে অবশ্যই সেই তৃণমূল কর্মীকে চাকরি দেওয়ার একশো শতাংশ চেষ্টা করা হবে, তবে মেধার ভিত্তিতে সেই চাকরি দেওয়া হবে।” উত্তর দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে জেলার দায়িত্ব পেয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। আর এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
সিপিআইএমের সময় যারা ঝোলা কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াতো তাদেরই চাকরি হয়েছে তাই তাদেরই চাকরি হবে যে সকাল সন্ধ্যা মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ বলছে, তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ করছে অবশ্যই সেই তৃণমূল কর্মীকে চাকরি দেওয়ার একশো শতাংশ চেষ্টা করা হবে, তবে মেধার ভিত্তিতে সেই চাকরি দেওয়া হবে। উত্তর দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে জেলার দায়িত্ব পেয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। আর এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর মন্তব্যের পর সাবিনা ইয়াসমিনের একই মন্তব্যে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, তৃণমূলের হয়ে যারা চাকরি চুরি করে, ধর্ষণ করে, বোম মারে, বুথ জ্যাম করে সেটাই তৃণমূলের কাছে মেধা, আর সেই মেধার ভিত্তিতে তৃণমূলের লোক চাকরি পাবে এটাই স্বাভাবিক, এতে নতুন কিছু ব্যাপার নেই। বর্তমানে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা কেউ আছে জেলে, কেউ আছে বেলে, বাকি যারা বাইরে আছে তারাও সময় মত জেলে যাবে বলে উল্লেখ করেছেন বাসুদেব সরকার।
অন্যদিকে সিপিআইএমের সময় ঝোলা কাঁধে নিয়ে যারা ঘুরেছে তাদেরই চাকরি এমনই মন্তব্য করেন সাবিনা, তার প্রেক্ষিতে সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য উত্তম পাল বলেন, বর্তামানে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের যারা বক্তা রয়েছেন তাদের তো বামফ্রন্টের সময় চাকরি হয়েছে, আর সেই চাকরি বামফ্রন্ট সরকার একটি নিয়ম নীতির মাধ্যমে করেছে। না হলে তাদের চাকরি হতো না সেই সময়। তবে তৃণমূলের কর্মীদের মেধার ভিত্তিতে যে নিয়োগ করা হবে সে প্রসঙ্গে উত্তম পাল বলেন, তা একপ্রকার সোনার পাথর বাটি।

