পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ ডিসেম্বর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় মানুষ–হাতি সংঘাত নতুন নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকায় এবার আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সমাধানের পথে হাঁটল বন দফতর। মেদিনীপুর ডিভিশন এলাকায় শুরু হয়েছে থার্মাল ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার। পশ্চিম সার্কেলের অধীনস্থ এই ডিভিশনে নতুন ড্রোনটি ইতিমধ্যেই হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গলমহলে রাতের অন্ধকার, ঘন কুয়াশা ও ঘন জঙ্গলে দৃশ্যমানতা কম থাকায় হাতির দল চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষত তাপ নির্ভর থার্মাল ড্রোন দ্রুত হাতির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম। ফলে হাতির দল চাষজমি বা জনবসতির দিকে নামার আগেই গ্রামবাসীদের সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। এতে গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা বাড়ছে এবং আকস্মিকভাবে হাতির মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকিও কমছে।
ড্রোন থেকে পাওয়া রিয়েল–টাইম তথ্যের ভিত্তিতে বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতির দলকে নিরাপদে বনাঞ্চলে ফেরাতে পারছেন। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহার করেছে দফতর।

মেদিনীপুরের ডিএফও দীপক এম জানান, “মানুষ–হাতি সংঘাত কমাতেই আমরা থার্মাল ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছি। এতে সময়মতো গ্রামবাসীদের সতর্ক করা সম্ভব হবে।”

