আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৮ নভেম্বর: আবারও বিতর্ক উঠল জলপাইগুড়ি শহরের সমাজ পাড়া মাঠ নিয়ে। মঙ্গলবার আইএমএ (ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) এর সঙ্গে সমাজ পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বচসার সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কোতোয়ালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।

স্থানীয়দের দাবি, সমাজপাড়ার বাসিন্দারা ৭৫ বছর থেকে পুজো করে আসছেন। বাসিন্দাদের দাবি, শিশুদের খেলাধুলো ও পুজোর অনুমতি দেওয়া হবে আইএমএ’র তরফে। কিন্তু আশ্বাস মত লিখিত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এদিন সমাজপাড়ার বাসিন্দারা দাবি মত লিখিত না পেয়ে আইএমএ’র কাজ বন্ধ করে দিলেন। এরপর আইএমএ সঙ্গে বচসা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় ও আইএমএ প্রতিনিধি।
স্থানীয় বাসিন্দা সোমা বোস বলেন,”আমাদের পুজো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বাচ্চাদের খেলোধুলার জন্য লিখিতভাবে অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। অনুমতি না দিয়ে আজ গেট আটকে দেওয়া হচ্ছিল। আমরা আজ সকাল থেকে আন্দোলনে নেমেছি। বিরাট পুলিশ বাহিনী সমাজপাড়া ঘিরে রেখেছে।

বিকেলে ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় এসে আইএমএ ও আমাদের সাথে আলোচনায় বসেন। সিদ্ধান্ত হয়েছে দাবি মত সব কিছুই লিখিত দেবেন।”
আইএমএ’র সভাপতি ডাঃ নিতাই মুখোপাধ্যায় বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সব মিটে যাবে। সম্পাদক এলে কথা হবে। আমাদের সাথে কারও কোনো সমস্যা নেই।”
পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আইএমএ’র সম্পাদক সুশান্ত রায়ের সাথে কথা হয়েছে।
সমাজপাড়াবাসীর যে সমস্ত দাবি রয়েছে তা তিনি লিখিত আকারে দেবেন। মাঠে পুজো সহ খেলা অনুষ্ঠান যেমন হত তেমনি হবে। ১৫ তারিখের মধ্যে তিনি লিখিত দিয়ে দেবেন।”

