মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে কিছু নেই, রাজ্যের প্রশাসন সমাজবিরোধীদের হাতে চলে গেছে, সরব সুকান্ত মজুমদার

আমাদের ভারত, ২২ নভেম্বর: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন তিনি নিজে কত কাজ করবেন, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সব তাকে দেখতে হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক কিছু? এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে এই মুহূর্তে কিছু নেই। গোটা রাজ্য তো একটা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে। সবটাই আউট অফ কন্ট্রোল হয়ে গেছে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, “রাজ্যের প্রশাসনও মুখ্যমন্ত্রীর হাতে আছে কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। সমাজবিরোধীদের হাতে প্রশাসন চলে গেছে।” রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিসেবার কাজ নিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, “জেলায় জেলায় নীল সাদা বিল্ডিং তোলা হয়েছে। সেগুলোকে সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল বলা হয়। কিন্তু সেগুলোর ভেতরে কিছুই নেই। ডাক্তার বাবুদের কিছু করার নেই, ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার হয়ে তারা বসে আছেন।” সুকান্ত বাবুর অভিযোগ, “রাজ্য সরকার বহু জায়গায় ম্যাচ মানি দিতে পারছে না। কেন্দ্র যেখানে টাকা পাঠাচ্ছে সেই টাকা দিয়ে কোথাও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব, ডায়ালিসিসি ইউনিট টুকুই হয়েছে। রাজ্যের ফান্ড কোথায়? রাজ্য আলাদা করে নিজের ফান্ডে কি করেছে রাজ্য সরকারকে বলুন শ্বেত পত্র প্রকাশ করতে।

দুর্নীতির ইস্যুতে আবার একবার তোপ দেগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা সময় বলেছিলেন ডবল ডবল চাকরি হবে। তা আমরা দেখলাম অনুব্রত মণ্ডল ডবল ডবল গ্রেপ্তার হলেন। সিবিআই সাথে সাথে ইডিও তাকে গ্রেফতার করলো। কিছুদিন আগে তৃণমূলের নেতারা প্রচারের জন্য দিল্লি চলো, দিল্লি চলো শুরু করেছিলেন। এখন কোনো তৃণমূল নেতা দিল্লি যেতে চাইছেন না। কিন্তু দিল্লিতে যেতেই হবে। গিয়ে দিল্লির লাড্ডু খেতে হবে। দিল্লি গেলে মুখ খুলে দেবেন সেই ভয় তৃণমূল কংগ্রেস চেষ্টা করছেন যাতে এরা দিল্লি না যায়।”

সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তোলেন, সায়গল হোসনের মতো পুলিশ কনস্টেবলের হয়ে যারা কোর্টে দাঁড়াচ্ছেন সেই উকিলের পারিশ্রমিক কোথা থেকে আসছে? মিডিয়াকে তিনি বলেন, এই বিষয়ে বাংলার মানুষকে তারা জানাক। কিভাবে একজন পুলিশের কনস্টেবল এমন উকিল যাদের বিরাট অঙ্কের পারিশ্রমিক। তাঁর অভিযোগ এর পেছনে অন্য কেউ আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *