আমাদের ভারত, ১৭ ডিসেম্বর: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে বারবার ছুটে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিধানসভা ভোটের ২০০ পার করার হুংকারও দিয়েছিলেন অমিত শাহ। সেই টার্গেট পূরণ না হলেও বিধানসভায় প্রাপ্ত আসনের নিরিখে বঙ্গ বিজেপির বিরাট উত্থানের সাক্ষী হয়েছে রাজ্যবাসী। বাম কংগ্রেসকে সরিয়ে বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তবে সেই পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজ্যের আসার দরকার নেই বলেই দাবি করেছেন আত্মবিশ্বাসী বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শাহি বৈঠকের পর থেকেই চনমনে দেখা গেছে বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেডকে।
সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য রাজ্যের বিজেপি নেতারাই যথেষ্ট। অমিত শাহকে কলকাতা বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর পর সুকান্ত বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য অমিত শাহকে প্রয়োজন নেই। এরজন্য আমাদের রাজ্যের নেতারাই যথেষ্ট। আমরা ওনাকে বলেছি পঞ্চায়েত ভোটে আমরা কিভাবে পরিকল্পনা করেছি। সে কথা তিনি শুনেছেন। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটে অমিত শাহ বা প্রধানমন্ত্রীর নামার দরকার নেই। ওনারা লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী দিনে রাজ্যে আসবেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও আসবেন। পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখাই যথেষ্ট।
এদিন সুকান্ত মজুমদারকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল। তিনি জানান, “আমরা লড়াই করব গতবার আমরা প্রায় ৬ হাজার পঞ্চায়েত সদস্য পেয়েছিলাম। এবার আমরা তিনগুণ চার গুণ টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছি এবং আমরা জিতব।”
গতকাল ২৪ ঘন্টারও কম সময় নিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য সময় বের করেছিলেন তিনি। বঙ্গ বিজেপি শিবির চাণক্যর উপদেশ পাওয়ার পর থেকেই যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর তা নিজেদের ক্ষমতায় লড়াই করার কথা ঘোষণা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।

