আমাদের ভারত, ২৭ মার্চ: শিলিগুড়িতে আদিবাসীদের প্রতিবাদে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি এই ঘটনায় আদিবাসী সমাজের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অবিচার তথা সংখ্যালঘু মুসলিমদের ঘটানো একাধিক অনৈতিক কাজে চুপ থাকার বিষয়টি তুলে সরব হয়েছেন।
উত্তরবঙ্গের ফাঁসিদেওয়াতে এক আদিবাসী মহিলাকে মারধর করায় আদিবাসীরা তার বিরোধিতা করলে তাদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই ঘটনায় শিলিগুড়িতে বিক্ষোভ মিছিল হলে তাকে দমনে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, যখনই আদিবাসীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের ওপরে অত্যাচার, তাদের সাথে ঘটা অসম্মানজনক ঘটনার বিরোধিতা করতে গিয়েছে তখনই তাদের উপর জলকামান, লাঠিচার্জ করা হয়েছে। এমনকি পুলিশকে ঢিল ছুড়তেও দেখা গেছে। আর যখন দাঙ্গা হচ্ছে, যখন সংখ্যালঘু সমাজ বেলডাঙা হোক বা অন্য কোথাও ন্যাশনাল হাইওয়ের উপর দাঁড়িয়ে সাংবাদিককে হেনস্থা করে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে রাখে তখন রাজ্য সরকার চুপ। পুলিশ পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে। এই সব এটাই প্রমাণ করে দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত সাম্প্রদায়িক ইসলামিক মৌলবাদী ভারতবর্ষে দ্বিতীয় কেউ আছে কিনা সন্দেহ আছে। তিনি এসব কাজ লুকিয়ে লুকিয়ে করেন। অন্যরা যারা বোম ফাটায়, যারা জেহাদি, তারা সামনাসামনি করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লুকিয়ে লুকিয়ে এসব করেন।
অন্যদিকে এস আই আর- এ এক থেকে দেড় কোটি নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, কত নাম পড়বে আমি জানি না। সেটা নির্বাচন কমিশন বলবে। আমরা চাইব কোনো নাগরিকের নাম যেন বাদ না যায়, যিনি বৈধ নাগরিক। কাল যেহেতু লিস্ট বেরবে যারা ভারত বিরোধী মানুষ তারা গন্ডগোল করার চেষ্টা করবে। প্রশাসন এবং ইলেকশন কমিশনকে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলব।
গোলমালের আশঙ্কায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গেছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করবে তার উপর নির্ভর করছে সমস্যা বা অশান্তি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কিনা।

