বাড়ির উঠোনে খোলা অবস্থায় রয়েছে বৈদ্যুতিক তার, চারবার লিখিত অভিযোগ করেও ফল না মেলায় শিশুকন্যাকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে গৃহবধূর

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৩ আগস্ট: খোলা বৈদ্যুতিক তারে দুর্ঘটনার খবর প্রায়শই শোনা যায়। আর বাড়ির উঠোনের মধ্যে খোলা অবস্থায় রয়েছে বৈদ্যুতিক তার। চারবার লিখিত অভিযোগ করেও ফল না মেলায় শিশুকন্যাকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে গৃহবধূর।

নদিয়ার শান্তিপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের জলেশ্বর তিলিপাড়ার বাসিন্দা সরমা বিশ্বাস মজুমদারের স্বামী পুলিশ কর্মী হিসেবে কলকাতায় কাজ করার কারণে তার পাঁচ বছরের একরত্তি শিশু কন্যা নিয়ে বেশিরভাগ সময় তিনি একাই থাকেন। তার অভিযোগ, প্রায় দু’বছর আগে কেনা জমির ওপর দিয়েই বিক্রেতা স্বপ্না হালদার, শান্তমণি হালদারদের বৈদ্যুতিক সংযোগের তার ছিল। বিক্রির সময় কথা দিয়েছিলেন দু’মাসের মধ্যে ওই তার সরিয়ে নেওয়া হবে, কিন্তু দু’বছর পার হয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশ কর্মীর স্ত্রী হিসেবে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও মেলেনি ফল। আর এই কারণে বাচ্চা রয়েছে ঘর বন্দি। এমনকি অপরিচিত ব্যক্তি যদি হঠাৎ কেউ এসেও পড়েন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যথেষ্ট। ওই বাড়ির সামনে ইলেকট্রিক অ্যাঙ্গেল ভেঙ্গে পড়ার কারণে রাতের অন্ধকারেও যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে পূর্ববর্তী জমি বিক্রেতারা জানান, সে সময় বিদ্যুতের তার দেখেই জমি কিনেছিলেন স্বপ্না হালদার।

স্থানীয় পাড়ার যুবকরা জানান, দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকবার বসেও মেটানো সম্ভব হয়নি। জমির মালিকানা স্বত্ব পরিবর্তিত হলেও ইলেকট্রিক তার কি হবে তার কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেননি ক্রেতা বিক্রেতা কেউই।

বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে জানা গেছে, তারা বিনামূল্যে ইলেকট্রিক পোল এবং অ্যাঙ্গেল দিতে রাজি হয়েছেন, কিন্তু পূর্ববর্তী জমির বিক্রেতা তা যদি নিতে না চান, তাহলে তাদের কিছু করার নেই। একজন গ্রাহকের ইলেকট্রিক কেটে দেওয়ার যথাযথ যুক্তি নেই।

স্থানীয় কাউন্সিলর দীপঙ্কর সাহা বলেন, দুই পরিবারের সাথে কথা বলে আবারো একবার চেষ্টা করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *