“বিক্ষোভের জন্য রামলীলা ময়দান আছে, সংসদ ভবন চত্বর নয়”, পার্লামেন্টে ধর্না বন্ধের নোটিশ বিতর্কে জবাব সুকান্তর

আমাদের ভারত, ১৫ জুলাই: সংসদ ভবন চত্বরে বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তাদের দাবি, এটা অঘোষিত জরুরি অবস্থা। কিন্তু বিরোধীদের এই অভিযোগকে বাজার গরম করা বলেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ ঘাটালে একটি জনসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণতন্ত্র। ফলে এদেশের সংসদে এসব করা উচিত নয়।

সংসদে বিরোধীরা বিক্ষোভ দেখাতে পারবেন না। ধর্না অনশন বা কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যাবে না। এই সিদ্ধান্তকে বিরোধীরা বলছে এটি অঘোষিত জরুরি অবস্থার সামিল। কিন্তু বিরোধীদের এই দাবিকে নস্যাত করে দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিরোধীরা এই সব বলে আসলে বাজার গরম করার চেষ্টা করছে। তার কথায়, “গোটা ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ পঞ্চায়েত হচ্ছে সংসদ। আপনি ইউকেতে যান সেখানে তাদের যে সংসদ সেখানে কি বিক্ষোভ দেখানো যায়? যেটা বলার বা যেটা বক্তব্য রাখার সেটা হাউজের ভিতরে বলুন।” সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিক্ষোভ দেখানোর জন্য রামলীলা ময়দান আছে, দিল্লির রাস্তা আছে, দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাব আছে। বিভিন্ন জায়গায় তাদের পারমিশন দেওয়া হয় এর জন্য। তার কথায় সংসদ ভবনে এই ধরণের কাজ করা উচিত না, কারণ ভারত বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র।

আজ সাংবাদিকরা তাকে বলেন, আগামী একুশে জুলাইয়ে তৃণমূলের শহিদ দিবস উপলক্ষে বড় জমায়েত হবে। তার ফলে করোনা বাড়তে পারে। তাতে সুকান্ত মজুমদার ব্যাঙ্ক করেই বলেন, “এর জন্য তৃণমূল কংগ্রেস জয় বাংলা মাস্ক ব্যবহার করবে। জয় বাংলা বলে বলে শিল্প থেকে সমস্ত কিছুই বাংলার বাইরে চলে যাচ্ছে। তৃণমূলের বিখ্যাত বিজ্ঞানী কুণাল ঘোষ এবং দেবাংশুরা গবেষণা করে বের করেছে মুখের উপরে জয় বাংলা লেখা থাকলে আর ভাইরাস বাইরে বেরোবে না।”

রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার অভিযোগের সুরে বলেন, “এগারো সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর কোনো নিয়োগ নিরপেক্ষভাবে বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে হয়নি। প্রত্যেক নিয়োগের পয়সা নেওয়া হয়েছে। কোথাও ১০০% দুর্নীতি হয়েছে কোথাও ৮০% দুর্নীতি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *