দিঘায় তোলাবাজি নিয়ে প্রকাশ্যেই অভিযোগ, হেলদোল নেই প্রশাসনের

আমাদের ভারত, ৩ মে: দিঘায় তোলাবাজি নিয়ে প্রকাশ্যেই অভিযোগ উঠছে। এর মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ পর্যটকদের। হেলদোল নেই পুলিশ-প্রশাসনের। অনেকে মনে করছে, কর্মসংস্থানের যথেষ্ঠ সুযোগ না থাকায় ক্রমেই যুবসম্প্রদায়ের একটা অংশ রাজনীতির ছত্রছায়ায় তোলাবাজির দিকে ঝুঁকছে।

উইকএণ্ড ট্যুরস ফ্রম ক্যালকাটা ফেসবুক গ্রুপে মহুয়া ইসলাম লিখেছেন, “দিঘা মেরিন ড্রাইভ তোলাবাজদের রাজত্ব হয়ে উঠেছে। তোলাবাজরা বিভিন্ন অজুহাতে দু’হাত অন্তর সমস্ত প্রাইভেট গাড়ি আটকে রীতিমত হুমকি দেয় থানা তাদের কেনা, ২০ হাজার টাকায় তারা থানা কিনে রেখেছে। ওদিকে রাস্তায় কাজ চলছে তার ঠিকমতো বোর্ড নেই। মাঝরাস্তায় গিয়ে ফিরে এসে তোলাবাজদের কাছে হেনস্থা হতে হবে। পর্যটক রা মেরিন ড্রাইভের রাস্তায় যাবেন না।“ এটি পোস্ট করার ২২ ঘন্টা বাদে বুধবার সকাল সাড়ে ন’টা পর্যন্ত মন্তব্য করেছেন ১৩০ জন।

প্রতিক্রিয়ায় রাজ দেবজিৎ মিত্র লিখেছেন, “পুরো রাজ্যটাই যেখানে তোলাবাজদের কব্জায়, সেখানে শুধুমাত্র একটা মেরিন ড্রাইভ নিয়ে মন খারাপ করবেন না।” কিংশুক ভট্টাচার্য লিখেছেন, “আমার বাড়ি থেকে দীঘা ১০০ কিমিরও কম। এই কারণেই আমরা শেষ ৬/৭ বছর আর দীঘা যাই না। হোটেল ভাড়া, দোকানের জিনিস পত্রের দাম সবই যেন আগুন।”

সন্তোষ প্রামাণিক লিখেছেন, “রাজনৈতিক দলের ঝান্ডা ধর, যেখানে খুশী যখন খুশী তোলবাজি কর।”

সঞ্জয় ঘোষাল লিখেছেন, “আমি এর আগেও কয়েকটা থ্রেডে কমেন্ট করেছি যে বাঙালিরা দিঘা বয়কট করুক। এর থেকেও ভালো বিচ আমাদের রাজ্য ও লাগোয়া রাজ্যে রয়েছে। পর্যটক না গেলে ওই মাফিয়ারা খাবে কী? একবার ভেবে দেখুন।”
অরুণাভ সাহা লিখেছেন, “আরে এটা তোলাবাজি নয় এটা দিদিমণির উন্নয়নের একটি উদাহরণ মাত্র।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *