যাদবপুরে চিন যোগ আছে কিনা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, দাবি সুকান্তর

আমাদের ভারত, ২১ আগস্ট: যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপি হাইকোর্টে দুটি মামলা করেছে। এই মামলার প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যম্পাসে মাদক সহ একাধিক চক্র চলে বলে বিভিন্ন তথ্য উঠে আসছে। নিজেদের অতি বাম বলে দাবি করা ছাত্রদের সম্পর্কে যাকিছু তথ্য উঠে আসছে সেটা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা প্রয়োজন। তার কথায় এইসব ক্ষেত্রে চিনের কোনো যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার। একই সঙ্গে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকেও দায়ী করেছেন।

সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ইউজিসি’র নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের সিনিয়ারদের থেকে আলাদা হোস্টেলে রাখতে হবে। সেখানে দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় যদি বলে যে ইউনিয়নের চাপে তারা সেটা করতে পারিনি তাহলে সেই ইউনিয়নের সেখানে থাকার প্রয়োজন নেই। তাঁর কথায়, এমন ইউনিয়ন যে ইউনিয়ন ছাত্রদের ক্ষতি করছে সেই ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে থাকা উচিত নয়। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ছাত্র ইউনিয়নের কাজ ছাত্রদের অসুবিধে দূর করা। কিন্তু এখানে ছাত্র ইউনিয়ন ছাত্রদের শত্রুতে পরিণত হয়েছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকারের অনীহাকেও দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, এই অতি বামেরে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এরা পিঠ চুলকে দেয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকারান্তরে এদের পিঠ চুলকে দেয়। সুকান্তর কথায় “এরাই নো ভোট টু বিজেপি প্রচার করে ভোটের সময়।যারা নিজেদের অতি বাম বলে পরিচয় দেয় পারস্পরিক সুবিধা পাওয়ার জন্য। এরা রাজ্য সরকারকে ঘাটায় না এবং রাজ্য সরকারও এদেরকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেয়। ”

ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “যে ধরনের পরিবেশের কথা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উঠে আসছে, ড্রাগসের লেনদেন হয় সেখানে। ক্যামেরার সামনে তথাকথিত বামপন্থী যারা নিজেদের নকশাল পন্থী বলেন গরিবের দরদী বলেন, অথচ যাদের পোশাক দেখে কোথাও বোঝা যাবে না তারা গরিব দরদী। এই অতি বামেরা ক্যামরার সেখানে দাঁড়িয়ে বলছে আমরা ঘরে মদ খাই বিয়ার খাই।বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আমাদের বিয়ার খাওয়ার অনুমতি দিতে হবে আমাদের অধিকার আছে বিয়ার খাওয়ার। স্বাভাবিকভাবে এতে কোনো চক্র চলে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা উচিত। এতে চিনের মত দেশের কোনো যোগাযোগ আছে কিনা তার একটা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।” বিরোধী দলনেতা সিবিআই এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টের গেছেন। সুকান্ত বলেন, পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে আদালত যে তদন্ত উপযুক্ত বলে মনে করবে সেই তদন্ত দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *