বনগাঁর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট লুটের আশঙ্কার অভিযোগ

আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ২৬ ফেব্রুয়ারি: বাইরে থেকে দুষ্কৃতীদের ভাড়া করে এনে আশ্রয় দিয়েছে তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমি চক্রবর্তী। এমনই অভিযোগ করলেন বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার। পুলিশকে ফোন করে জানালেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করছে না। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পুর সভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ মিথ্যে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

এই ওয়ার্ডের বিজেপি পার্থী ঝুমা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, গতবারের পুরনির্বাচনে এই ১৩ নং ওয়ার্ডের সবকটি বুথে ভোট লুট হয়েছিল। মানুষের উপর ভরসা ছিল না তৃণমূলের। এবারেও নেই। আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানুষ ভোট দিতে পারলে জয় নিয়ে আমি আশাবাদী।

একসময় এই ওয়ার্ডটি বামেদের দখলে ছিল। পরে পরিস্থিতির বদল ঘটে। এবার এলাকার বামপন্থীরা মনে করছে, তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলরের ভূমিকায় মানুষ সেভাবে সন্তুষ্ট নন। তাই এলাকার মানুষ ফের বামেদের ফেরাতে চাইছেন। এই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মৌসুমী চক্রবর্তী। আর রয়েছেন বিজেপির ঝুমা ভট্টাচার্য্য। ওয়ার্ডের একদিকে রয়েছে গরিব অঞ্চল, অন্যদিকে আমলাপাড়া, রেটপাড়ায় রয়েছে শিক্ষিত, চাকরীজীবী ভোটারদের বসবাস।
এই ওয়ার্ডের ৪ টি বুথ মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা সাড়ে তিন হাজারের কাছাকাছি। গত পুর নির্বাচনে তাঁদের অনেকেই নিজের ভোট নিজে দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। ফলে তাঁদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ রয়েছে। তাঁরা এবারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে মনে করা ঝুমাদেবী। যদিও তাঁরা নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তাঁদের এবারেও আশঙ্কা রয়েছে।

বিজেপি নেতা কানাই ভট্টাচার্য্য জানান, শুক্রবার রাতে প্রায় ২৫ জনের একটি দলকে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ক্লাবের মাঠে আশ্রয় দেওয়া হয়। সেখানে মদ, মাংস খাওয়ানো হয় তাঁদের। সকলের হাতে আগ্নেয়েস্ত্র ছিল। বারবার পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ ফোন তোলেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *