সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১২ মার্চ: কবিতার মধ্যে দিয়ে তাঁর মনের ভাব প্রকাশ করে। “তোমাদের পায়ের নীচে”, “ঈশ্বর ও ক্ষুধা”, “সমাজের শরীর”, একটার পর একটা কবিতা লিখেছে বনগাঁর তরুণ কবি দিব্যেন্দু ঘোষ। আমার ঈশ্বর থাকে’ তরুণ কবির এমনই সব উচ্চারণ তাঁকে
বাংলা সাহিত্যের জগতে আলাদা করে চেনাতে শুরু
করেছে। “ ঈশ্বর জীবিত নদী” কাব্যগ্রন্থ প্রাকাশিত হয়েছে এবছর। সেই কাব্যগ্রন্থ বাংলা জুড়ে সাড়া ফেলেছে। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকার বাসিন্দা, তরুণ কবি দিব্যেন্দু ঘোষ। “ঈশ্বর জীবিত নদী” কাব্যগ্রন্থ প্রাকাশিত হওয়ার সুবাদে পাঠক মহলে তার পরিচিতি
বাড়েছে।
কবি জানান, তখনও মাধ্যমিকের বেড়া
ডিঙোননি, তারও আগে থেকে কবিতা লিখতে শুরু
করেন। কিন্তু সেই কবিতা ছাপার সাহস পাননি।
২১ অক্টোবর ১৯৯১ সীমান্ত শহরে জন্ম দিব্যেন্দু ঘোষের। দূষণহীন যান সাইকেল তাঁর প্রিয় সঙ্গী। ইতিমধ্যেই সাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশের ঢাকা সহ বিভন্ন শহর ও সম্প্রতি সাইকেল চালিয়ে দার্জিলিংয়ের এভারেস্ট পৌছে খবরের শিরনামে এসেছে দিব্যেন্দু। কবিতা তাঁর আরেকটি অনিবার্য অস্তিত্ব। প্রথম কাব্যগ্রন্থে সারা বাংলা জুড়ে নজর কাড়লেন বনগাঁরতরুণ কবি দিব্যেন্দু ঘোষ৷ পাঠক মহলে দেদার বিক্রি
হচ্ছে তাঁর কাব্যগ্রন্থ “ঈশ্বর জীবিত নদী”। সাংস্কৃতিক মহলে প্রতিবাদী কবি হিসেবেই পরিচিত
দিব্যেন্দু৷ জানুয়ারি মাসে “কবিতা আশ্রম” প্রকাশনা
থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ঈশ্বর জীবিত
নদী”৷
কবিতা আশ্রমের পক্ষ থেকে কবি ও নাট্যকার
বিভাস রায়চৌধুরী বলেন, “দিব্যেন্দুর যে নতুন কবিতার বইটা প্রকাশিত হয়েছে সেই
বইটা খুব সাফল্য পেয়েছে। একদম নতুন একজনের
কবিতার বই প্রকাশ করে সেটা এত দ্রুত পাঠকদের
কাছে পৌঁছে যাবে ভাবিনি৷ আমাদের কবিতা আশ্রমের
পক্ষ থেকে নতুনদের চিহ্নিত করে রাজ্যজুড়ে
কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের যে সিদ্ধান্তআমরা নিয়েছি তাতে দিব্যেন্দুঘোষের প্রোজেক্টটা খুবই
সফল হয়েছে। তিনি বলেন, কবিতা লেখার
পাশাপাশি দিব্যেন্দু তার জীবনটা অনেক বড়ো করে
ছড়িয়ে দিয়েছে। নানা
ব্যাপারে ওর উৎসাহ আছে। আমি চাইবো যে দিব্যেন্দু
ঘোষ কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।”

