সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা,
৯ অক্টোবর: স্ত্রীর দ্বিতীয় স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ দিয়ে খুন করার চেষ্টা করল প্রথম পক্ষের স্বামী। এমনই অভিযোগে প্রথম পক্ষের স্বামীকে বেধড়ক মারধর করল উত্তেজিত প্রতিবেশী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার কাড়লা শালবাগান এলাকায়।
পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্তের নাম বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সুকান্ত ভদ্র। তিনি হাবড়া থানার গোয়ালবাটি এলাকার বাসিন্দা। দু’জনকেই আশঙ্কা জনক অবস্থায় কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বিয়ের পর থেকে প্রথম পক্ষের স্বামী সুকান্ত তার স্ত্রীর উপর অমানবিক অত্যাচার করত। প্রতিদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করত বলে অভিযোগ। বছর সাত আগে একদিন রাতে মারধর করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তারপর থেকে সে তার বাপের বাড়িতেই থাকত। সেখানে থেকেই পরিচালিকার কাজ করে নিজের খরচ চালতেন ওই মহিলা। এক বছর আগে বিশ্বজিত ওই মহিলাকে বিয়ে করে। তারপর থেকে বিশ্বজিতের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে সুকান্ত।
অভিযোগ, সুকান্তর স্ত্রীকে বিয়ে করায় আক্রোশে শনিবার রাতে বিশ্বজিৎ বাড়ি থেকে বের হলে আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার উপরে চড়াও হয় সুকান্ত। তার মাথা, ঘাড়, হাত সহ একাধিক জায়গায় এলোপাথাড়ি কোপ দেয়। বিশ্বজিতের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর অভিযুক্ত সুকান্তকে ধরে বেধড়ক মারধর করে উত্তেজিত জনতা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গাইঘাটা থানার পুলিশ। উত্তেজিত প্রতিবেশীর কাছ থেকে সুকান্তকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাদের কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

